সাম্যবাদী ট্রিপল এ-এর ব্লগ

প্রিন্ট প্রকাশনা

মানুষরূপী উগ্র প্রাণী!

লিখেছেন: সাম্যবাদী ট্রিপল এ

আমাদের সমাজ, দেশ ও
পৃথীবীর জন্য বেশ কিছু
ক্ষতিকর
প্রাণি রয়েছে। এই
প্রাণিরা মানুষের রূপ
ধারণ করেই
পৃথিবীতে বসবাস করে।
এই প্রাণীদের মূলত ২
ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: ১.উগ্র আস্তিক, ২.
উগ্র নাস্তিক।
১. উগ্র আস্তিক: উগ্র
আস্তিক প্রাণিদের
আবার
পাঁচটি ভাগে ভাগ
করা যায়। যথা:
ক. উগ্র মুসলমান:
ইসলাম
ধর্মাবলম্বীদেরই
মুসলমান বলা হয়।
মুসলমানদের
একটি অংশ উগ্র মুসলিম
নামে পরিচিত। এই
উগ্র মুসলিমদের
কার্যক্রম পরিচালনার
জন্য আবার
কয়েকটি দল রয়েছে।
যেমন: আল-কায়েদা,
তালেবান,
বোকা হারাম, জামাত-
শিবির ইত্যাদি। সব
দলগুলোর আদর্শ ও
নীতি একই বলা চলে।
এদের টার্গেট
হলো সাধারণ মুসলমান
এবং বিশ্বের অন্যান্য
ধর্মীয় সম্প্রদায়ের
উপর আক্রমণ। এই
প্রাণিদের মূল
আবাসস্থল মূলত
পাকিস্তান ও
আফগানিস্তান।
এছাড়াও
এরা বাংলাদেশ,
ভারত,
নাইজেরিয়া ইত্যাদি দ
করে।
খ. উগ্র হিন্দু: সনাতন
ধর্মাবলম্বীদেরক ে
বলা হয় হিন্দু। এই
হিন্দুদের একটি অংশ
উগ্র হিন্দু
প্রাণি নামে পরিচিত।
এদের কার্যক্রম
পরিচালনার জন্যও
কয়েকটি দল রয়েছে।
যেমন: শিবসেনা,
বিজেপি ইত্যাদি।
এই প্রাণিদের মূল কাজ
হলো সকল মুসলমানদের
উপর ও তাদের সম্পদের
উপর আক্রমণ চালানো।
এই প্রাণিরা প্রধানত
ভারতে বসবাস করে।
গ. উগ্র বৌদ্ধ: গৌতম
বুদ্ধের অনুসারীদের
বলা হয়ে থাকে বৌদ্ধ।
এই
বৌদ্ধদের একটি অংশই
হলো উগ্র বৌদ্ধিস্ট।
এদের কোন দল নেই।
এরা একটি সম্প্রদায়।
এদের
সম্প্রদায়কে বলা হয়
রাখাইন সম্প্রদায়। এই
সম্প্রদায়ের মূল
টার্গেট
মিয়ানমারে অবস্থিত
রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের
মুসলমানদের উপর
আক্রমণ চালানো। এই
প্রাণিরা শুধুমাত্র
মিয়ানমারেই বসবাস
করে।
এরা দেখতে সুদর্শন
কিন্তু,
এরা ভিতরে অত্যন্ত
কুৎসিত।
ঘ. উগ্র খ্রিস্টান: যিশু
খ্রিস্টের
অনুসারীদেরকে খ্রিস্টা
বলা হয়। এদের
একটি অংশ উগ্র
খ্রিস্টান। দল
হিসেবে উগ্র
খ্রিস্টানদের
কার্যক্রম বিলুপ্ত
প্রায়। দেশ হিসেবেই
এরা মূলত তাদের
কার্যক্রম চালায়।
এদের মূল কার্যক্রম
হলো ইসলাম ও ইসলাম
ধর্মাবলম্বীদের ধ্বংস
করা। মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রই এই
প্রাণিদের মূল
মদতদাতা।
এরা পৃথিবীর অসংখ্য
দেশে বাস করে।
ঙ. উগ্র ইহুদী:
এদেরকে হযরত মূসা (আ)
এর অনুসারী বলা হলেও
এরা তাঁর মূল আদর্শ
থেকে বিচ্যুত।
ইহুদীদের
একটি উল্লেখযোগ্য
অংশই উগ্র। এদের
পরিকল্পনা সুদূরপ্রসারী
বিশ্বের অন্য সকল
ধর্মকে নিশ্চিহ্ন
করাই এদের মূল লক্ষ্য।
এরা একটি দেশ
হিসেবে তাদের
কার্যক্রম
পরিচালনা করে। এদের
দেশের নাম ইসরাঈল।
ইসলাম
ধর্মাবলম্বীদের
পবিত্র কিতাব আল-
কুরআনে এদের
(ইহুদীদের)
বনি ইসরাঈল
সম্প্রদায় বলে উল্লেখ
করা হয়েছে। এদের
নিজস্ব কোন আবাসস্থল
নেই। এরা অন্যের
জায়গা দখল
করে বসবাস করে।
এরা সারা পৃথিবীর
জন্যই ক্ষতিকর।
২. উগ্র নাস্তিক: এদের
কোন নির্দিষ্ট দল,
গোষ্ঠী, সম্প্রদায়
বা দেশ নেই।
এরা নিজেদের খুবই
বিজ্ঞ মনে করে।
এরা সাধারণত অন্য
মানুষের বিশ্বাস
নিয়ে ছিনিমিনি খেলে।
মানুষের ঈশ্বর
বা আল্লাহর
প্রতি বিশ্বাসের উপর
এরা বাক-আক্রমণ
চালায়। অশ্রাব্য
গালিগালাজ করতেও
দ্বিধা করে না। এদের
বাক আক্রমণ কখনও
কখনও এতটাই ভয়াবহ
হয়ে থাকে যে ঈশ্বরে ব
অতিষ্ঠ হয়ে এদের উপর
আক্রমণ
চালাতে বাধ্য হয়।
এরা সমাজে খুব সহজেই
অশান্তি সৃষ্টি করতে পা
এরা পৃথিবীর জন্য
ক্ষতিকর।
[ বি.দ্র.
এটি অসাম্প্রদায়িক
দৃষ্টিকোণ থেকেই
লেখা। আমি কোন
ধর্মকেই অপমান
করিনি। আমি নিজেও
একটি ধর্মের অনুসারী।
আমি শুধু আঙ্গুল
দিয়ে দেখাতে ও
চেনাতে চেয়েছি যে এই
উগ্র আস্তিক ও
নাস্তিকরা আমাদের
সমাজ ও পৃথিবীর জন্য
কতটা ক্ষতিকর]

এ লেখার লিংক: http://projonmoblog.com/triplea_saying/27574.html



মন্তব্য করুন