তারিক লিংকন-এর ব্লগ

প্রিন্ট প্রকাশনা

বাংলার পর্যবেক্ষণমূলক জ্যোতির্বিজ্ঞানের পথিকৃৎ রাধাগোবিন্দ চন্দ্র

লিখেছেন: তারিক লিংকন

১৯২৬ সাল আজ থেকে ৮৬ বছর আগে জগৎবিখ্যাত হাভার্ড মানমন্দির থেকে একটি ছয় ইঞ্চি ব্যাসের দূরবীণ পাঠানো হয় বাংলাদেশে আর সেই দূরবীনের সঙ্গে হাভার্ড মানমন্দিরের পরিচালক হ্যারলো শ্যাপলি একটি চিঠি লিখেন এইভাবে - “বিদেশ থেকে পরিবর্তনশীল নক্ষত্র সম্পর্কে আমরা যে সব পর্যবেক্ষন মূলক তথ্য পেয়ে থাকি তার মধ্যে আপনার দান অন্যতম। আপনাকে আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা জানাচ্ছি।” চিঠিটি পাঠানো হয়েছে আমাদের দেশের এক অখ্যাত স্কুল করণিককে। আজ আমাদের সেই গর্বের জ্যোতির্বিজ্ঞানী রাধাগোবিন্দ চন্দ্রের জন্মদিন, আজ ১৬ই জুলাই!250px-Radhagobinda_chandra

রাধাগোবিন্দ চন্দ্র (জন্ম ১৬ই জুলাই, ১৮৭৮, বাগচর গ্রাম, যশোর, বাংলাদেশ-
মৃত্যু ৩রা এপ্রিল, ১৯৭৫, দুর্গাপল্লী, বারাসাত, ভারত)

প্রেরণার নাম ‘ব্রহ্মান্ড কি প্রকান্ড’

রাধাগোবিন্দ চন্দ্র ১৮৭৮ সালের ১৬ই জুলাই যশোর জেলার সদর উপজেলার বকচর (অনেকের কাছে বাগচর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। স্থানীয় একজন ডাক্তারের সহকারী ছিলেন তার বাবা গোরাচাঁদ, আর মা পদ্মামুখ ছিলেন যথারীতি গ্রামবাংলার গৃহিণী। বকচর পাঠশালায় অধ্যয়নের পাঠ চুকিয়ে তিনি যশোর জিলা স্কুলেপড়াশোনা করেন যদিও লেখাপড়ার প্রতি তার অনাগ্রহ ছিল আকাশচুম্বী কেননা রাতের আকাশের প্রতিই ছিল তার প্রবল আকর্ষন। স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণীতে অধ্যয়নকালে তাঁর পাঠ্যবই ছিল ‘চারুপাঠ’-এর তৃতীয় ভাগ যেখানে “ব্রহ্মাণ্ড কি প্রকাণ্ড” নামের একটি প্রবন্ধ ছিল অক্ষয়কুমার দত্ত রচিত। এই প্রবন্ধই তাঁকে জ্যোতির্বিজ্ঞানী হওয়ার স্বপ্ন দেখায়। এ ব্যাপারে তিনি তার আত্মজীবনীমূলক পাণ্ডুলিপিতে লিখেছেন,“অক্ষয়কুমার দত্তের চারুপাঠ তৃতীয় ভাগ পড়িয়া, নক্ষত্রবিদ হইবার জন্যে আর কাহারো বাসনা ফলবর্তী হইয়াছিল কিনা জানি না, আমার হইয়াছিল। সেই উদ্দাম ও উচ্ছৃঙ্খল বাসনার গতিরোধ করিতে আমি চেষ্টা করি নাই।”  একদিকে পড়াশোনায় প্রাসঙ্গিক কারণে প্রচণ্ড অমনোযোগী হওয়ায় তিনি পরপর তিনবার প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেও উত্তীর্ণ হতে পারেননি।

কর্মজীবন ও হ্যালির ধূমকেতুর প্রভাবঃ

১৮৯৯ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে তিনি মুর্শিদাবাদের গোবিন্দ মোহিনীকে বিয়ে করেন তখন মোহিনীর বয়স ছিল মাত্র ৯ বছর। বিয়ের পর রাধাগোবিন্দ শেষবারের মত প্রবেশিকা পরীক্ষায় অংশ নেন এবং বরাবরের মত এবারও অকৃতকার্য হন। বারবার অকৃতকার্য হয়ে তিনি পড়াশোনার পাট চুকিয়ে কর্মজীবনে প্রবেশ করেন। পড়াশোনার জীবন শেষের পর প্রথম দুই বছর তাকে বেকার জীবন কাটাতে হয় অতঃপর তিনি যশোর কালেকটরেট অফিসে খাজাঞ্চির (Treasurer বা Storeman) চাকুরি পান যখন তার মাসিক বেতন ছিল মাত্র ১৫ টাকা পরবর্তীতে তিনি ট্রেজারি ক্লার্ক ও কোষাধ্যক্ষের পদে প্রমোশন পান। অবসর নেবার সময় তার মাইনে  ছিল মাসিক ১৭৫ টাকা। তার দুই সন্তান; এক ছেলের নাম কালু ও মেয়ের নাম বর্ষা।

অবশেষে একটি ধূমকেতু প্রকৃত অর্থেই ধূমকেতুর মত করে তাঁর জীবনে বিরাট অবদান রাখল আর তাহল হ্যালির ধূমকেতু। আমরা জানি প্রতি ৭৫/৭৬ বছর পরপর হ্যালির ধূমকেতু পৃথিবীর আকাশে দেখা যায়। একই নিয়মে ১৯১০ সালে হ্যালির ধূমকেতু বিশ্ব আকাশে আবির্ভূত হয়। শুরুতে খালি চোখে তিনি এই ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ করলেও পরে একটি বাইনোকুলার দিয়ে রাধাগোবিন্দ তার পর্যবেক্ষণ লিপিবদ্ধ করা শুরু করলেন পরে তাঁর এইসব নিয়ে একাধিক প্রবন্ধ তৎকালীন হিন্দুপত্রিকায় প্রকাশিত হয় এবং তিনি হয়ে পরেন একজন পর্যবেক্ষণমূলক জ্যোতির্বিজ্ঞানী। এইখানে প্রাসঙ্গিকভাবে জানানো দরকার জ্যোতির্বিজ্ঞান দুরকম একটা থিওরিটিকাল বা তাত্ত্বিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ও অপরটি পর্যবেক্ষণমূলক জ্যোতির্বিজ্ঞান। আর আমাদের এই অখ্যাত করনিকের কাজের ধারা ছিল পর্যবেক্ষণমূলক জ্যোতির্বিজ্ঞান।

তিন ইঞ্চিতেই মহাবিশ্ব দেখাঃ

হিন্দুপত্রিকায় প্রকাশিত সব প্রবন্ধ পড়ে শান্ডি নিকেতনের বিজ্ঞান শিক্ষক জগদানন্দ রায় মুগ্ধ হন এবং চিঠি দেন রাধাগোবিন্দকে। যেখানে তিনি তাঁকে পরামর্শ দিলেন একটি দূরবীণ সংগ্রহের। এমন উৎসাহ ও বিভিন্ন সহযোগিতায় ১৯১২ সালে একটুকরা পৈত্রিক জমি বিক্রি করে এবং তাঁর বেতনের টাকা জমিয়ে সর্বমোট ২৭৫ টাকায় তিন ইঞ্চি ব্যাসের ছোট্ট একটি প্রতিসরণ দূরবীণ কিনেন। ১৯১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দুরবিনটি ইংল্যান্ডের F. Bernard থেকে মেসার্স কক্স সিপিং এজেন্সি লিমিটেড এর মাধ্যমে রাগাগোবিন্দের কাছে আসে। স্বল্প আয়ের রাধাগোবিন্দকে খুব হিসেব করে চলতে হত সঙ্গত কারনেই তাই সাংসারিক খরচের দ্বায়িত্ব থেকে আকাশ চর্চায় যা ব্যয় হত তা তিনি লিখে রাখতেন;খাজাঞ্চী (Treaserer or, Storeman) ও করনিকের চাকুরীই মনেহয় তাঁকে এতটা হিসেবি করে তুলে। যাহোক সম্পূর্ণ দুরবিনটি দাম পড়েছিল ১৬০ টাকা ১০ আনা ৬ পাই যা তাঁর ব্যক্তিগত হিসেবের খাতায় লিপিবদ্ধ ছিল। প্রথমে মূল দুরবিনটির টিউব ছিল কার্ডবোর্ডের তৈরি যা পরে তিনি ইংল্যান্ডের মেসার্স ব্রহহার্স্ট এণ্ড ক্লার্কসন থেকে পিতলের টিউব আনিয়ে নেন অতিরিক্ত ৯৬ টাকা ১০ আনা খরচ করে এবং দুরবিনটির উন্নতি সাধন করেন। এই সম্পর্কে রাধাগোবিন্দের নথিপত্রে তিনি কি লিপিবদ্ধ করে গেছেন তা আমাদের জানা বাঞ্ছনীয়, নিজ হাতে তিনি লিখে গেছেনঃ
“সন ১৩১৯ সালের আশ্বিন মাসে দুরবিন আসার পরে রাধাগোবিন্দ চন্দ্রের নক্ষত্রবিদ্যা অনুশীলনের ৪র্থ পর্ব আরম্ভ। এই সময়ে তিনি কালীনাথ মুখোপাধ্যায়ের ‘ভগোলচিত্রম’ ও ‘তারা’ পুস্তকের সাহায্যে এটা-ওটা করিয়া যুগল নক্ষত্র, নক্ষত্র-পুঞ্চ নীহারিকা, শনি, মঙ্গল প্রভৃতি গ্রহ দেখিতেন। পরে জগদানন্দ রায়ের উপদেশ মত স্টার অ্যাটলাস এবং ওয়েব’স সিলেসিয়াল অবজেক্ট ক্রয় করিয়া যথারীতি গগন পর্যবেক্ষণ করিতে আরম্ভ করেন। কিন্তু ইহাতেও তাঁহার কার্য্য বেশীদূর অগ্রসর হয় নাই। তবে তিনি এই সময়ে গগনের সমস্তরাশি নক্ষত্র ও যাবতীয় তারা চিনিয়া লইয়াছিলেন এবং কোন নির্দিষ্ট তারায় দুরবিন স্থাপনা করিতে পারিতেন।”

387131_10150348846641881_710928266_n

রাধাগোবিন্দ চন্দ্র তাঁর ৩ ও ৬ ইঞ্ছির দূরবীনদ্বয় নিয়ে

এই দূরবীন হাতে পাওয়ার পর রাধার রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায়। এভাবেই শুরু হল তাঁর নতুন সাধনা এবং যেখানে তাঁর আগ্রহ ছিল variable stars বা পরিবর্তনশীল তারা। উইকিপিডিয়ার সংজ্ঞায় বলা হয়েছে ‘variable stars বা পরিবর্তনশীল তারা হচ্ছে এমনসব তারা বা নক্ষত্র যাদের উজ্জ্বলতা পৃথিবী থেকে পর্যবেক্ষণ করলে পরিবর্তনশীল মনে হয় অর্থাৎ ‘যেইসব নক্ষত্রের আলোর উজ্জ্বলতা ক্রমাগত পরিবর্তন হতে থাকে সেইসব তারকায় variable stars বা পরিবর্তনশীল তারা বলে।’ রাতের আকাশে এমন অনেক তারাই দেখা যায় যেগুলোর উজ্জ্বলতা স্থির নয় সময়ের সঙ্গে বাড়ে কমে। রাতের পর রাত অসীম ধৈর্যের সঙ্গে রাধাগোবিন্দ এই সব পরিবর্তনশীল তারা পর্যবেক্ষণ করতেন। পরবর্তীতে সামান্য এই তিন ইঞ্চি ব্যাসের সরল প্রতিসরণ দুরবীণ দিয়ে তিনি গড়ে তুললেন এক অমূল্য তথ্য ভান্ডার।

প্রথম নক্ষত্রের আবিষ্কার ও স্বীকৃতিঃ

১৯১৮ সালের ৭ জুন তিনি আকাশে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র দেখতে পান যার কোন চিত্র নক্ষত্রের মানচিত্রে ছিল না। তিনি তাঁর এই পর্যবেক্ষণের কথা হাভার্ড মানমন্দিরে জানান এবং এভাবেই ‘নোভা অ্যাকুইলা-৩’ নামের নক্ষত্রটি  ১৯১৮ সালে আবিস্কৃত হয়। পরে তাকে আমেরিকান এসোসিয়েসন অফ ভেরিয়েবল স্টার অবজারভার (‘American Association of Variable Star Observers’ বা AAVSO) সম্মানসূচক সদস্যপদ প্রদান করে।  সমগ্র এশিয়া মহাদেশে নক্ষত্র আবিষ্কারের ঘটনা এই প্রথম যা পর্যবেক্ষণ করার কৃতিত্ব একজন বাঙালির, তিনিই আমাদের যশোরের কৃতি সন্তান রাধাগোবিন্দ চন্দ্র। পরবর্তীতে তিনি ১৯১৯ থেকে ১৯৫৪ এর মধ্যে ৩৭,২১৫ টি পরিবর্তনশীল নক্ষত্র পর্যবেক্ষণ করেন এবং এসব তথ্য আভসো (AAVSO) কে প্রদান করেন। এইখানে উল্লেখ্য ১৯২৬ সালে হাভার্ড মানমন্দির থেকে তাকে একটি ছয় ইঞ্চি ব্যাসের দূরবীণ পাঠানো হয় যা আমি পোস্টের শুরুতে আপনাদের জানিয়েছি। তার কার্যক্রমের জন্য তিনি সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতির্বিজ্ঞানী হিসেবে ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত আভসোর এক তালিকাভুক্ত হন, যাতে আরও ২৫ জন জ্যোতির্বিজ্ঞানী যারা ১০,০০০ বেশি পরিবর্তনশীল তারা দেখেছেন।  ফরাসি সরকার ১৯২৮ সালে পরিবর্তনশীল নক্ষত্রের ওপর তার কাজের জন্য তাকে OARF (Officer d’Academic Republic Francaise) পদক প্রদান করে। আভসোর বর্তমান এমন তালিকাটি লক্ষ্য করলে দেখা যায় আমাদের রাধা গোবিন্দ চন্দ্রের অবস্থান ৪ নম্বরে

রাধার দেশত্যাগ ও দেহত্যাগঃ

জীবনের অধিকাংশ সময় তিনি বাংলাদেশে কাটালেও ১৯৪৭-এ দেশবিভাগের পরে তিনি ভারতে চলে যান। প্রত্যক্ষদর্শীর ও যশোরের ইতিহাসের বর্ণনা মতে তিনি আনুমানিক ১৯৬০ সালে ভারতে যান এসময় তিনি অবসর জীবনযাপন করছিলেন। যশোরের তৎকালীন জেলা কমিশনার এম.আর. কুদ্দুস সহ অন্যান্য সরকারী কর্মকর্তারা তাকে ভারতে চলে যেতে পরামর্শ দিয়েছিলেন। ভারতে যাবার সময় তিনি দূরবীন নিয়ে যান। কিন্তু বেনাপোল বন্দরে কাস্টম্‌স তার দূরবীন জব্দ করে। এরপর ভারতে যেয়ে তিনি আমেরিকা ও ফ্রান্স সরকারের সাথে যোগাযোগ শুরু করলে যশোরের ডিসি বাড়িতে এসে তার দূরবীন ফেরত দিয়ে যান। ৩ এপ্রিল ১৯৭৫ সাল ৯৭ বছর বয়সে প্রায় বিনা চিকিৎসায় ভারতের বারাসাতে রাধাগোবিন্দ মৃত্যুবরণ করেন। জীবন সায়াহ্নে এসে তিনি বেশ আর্থিক অনটনের মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করেছেন।

১৯৭১ এর স্বাধীনতার পর রাধাগোবিন্দের ছেলে কালু আর মেয়ে বর্ষা যশোরের বকচরে কয়েকবার এসেছিলেন কিন্তু তাদেরকে কেউ কোনপ্রকার সাহায্য করেনি। যশোরের ইতিহাস ও প্রবীণদের ভাষ্যমতে ২০/২৫ বছর আগে ফ্রান্স থেকে একদল লোক এসেছিলেন ফ্রান্সে কনফারেন্স করার জন্য রাধাগোবিন্দকে নিতে কিন্তু ততদিনে এই ক্ষণজন্মা জতিরবিজ্ঞানিরর জীবনাবসান ঘটে। তারা ঠিকানা ও তাঁর বাড়ীর ছবি তুলে নিয়ে গেছেন। আজ এই বাংলার আমরা কেউ তাকে স্মরণ করি না স্মরণ করব কীভাবে আমাদের কীজন্যেই জানেন তাঁর কথা, তবে ভারতে তার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উৎসবের উদযাপিত হয়।

বরাবরের মত আমরা এই মহান বিজ্ঞানীকে তার প্রাপ্য সম্মান দিতে পারি নি। পারিনি আমাদের নতুন প্রজন্মকে তাঁর কাজ ও জীবনী দিয়ে উদ্বুদ্ধ করতে। গোটা বাংলার জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাস ঘাঁটলে যেখানে আমরা মাত্র দুজন ব্যক্তির নাম পাই সেখানে এই পথিকৃৎকে যোগ্য সম্মান ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেয়া আমাদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব কর্তব্য। ঢাকার আগারগাও দেশের একমাত্র মান্মন্দিরটির নামটি যৌক্তিকভাবেই তার নামে হাওয়া উচিৎ কিন্তু যথাযথ কর্তৃপক্ষের এই বিষয়ে তেমন কোন প্ল্যান আছে বলে কারো জানা নাই। বাংলার অর্জনকে নিয়ে বাঙ্গালীদের গর্ব করতে শিখতে হবে তবেই আমরা জ্ঞান বিজ্ঞানে আবিষ্কারে ও গবেশনায় নতুন প্রজন্মকে প্রেরণা দিতে পারব।

 

তথ্যসুত্রঃ

১) উইকিপিডিয়া (বাংলা ও ইংরেজি)

২) www.jessore.info

৩) যার দিকনির্দেশনায় এই বিষয়ে জানা ও পাঠকদের জানানো, এশিয়ান ওমেন ইউনিভার্সিটির গনিতের প্রভাষক নোমান উদ্দিন জুয়েল ভাই।

এ লেখার লিংক: http://projonmoblog.com/tlincoln_bd/19044.html



মন্তব্য করুন