সোহাগ-এর ব্লগ

প্রিন্ট প্রকাশনা

গনতন্ত্রের সাতকাহন

লিখেছেন: সোহাগ

রাষ্ট্র বিজ্ঞানের জনক এরিস্টটলের মতে গনতন্ত্র হল গরিবের শাসন ব্যাবস্থা।আমি এই গরিব বলতে বুঝি নেতাদের সংকীর্ণ মানিষীকতা।আজ মানুষকে কুকুর কামড়ালে মানুষও কুকুরকে কামড়ে দেয়।এতে করে সে নিজেকে উত্তমের ঘর থেকে শুধু অধমে নয় বরং অধমদের অন্যতম হিসাবে প্রতিষ্ঠা করে।যেখানে নিজের সংসারই চলে না সেখানে অন্যের সংসারের খবর নেওয়ার সময় কোথায়?তাই আমাদের কথা বলি।পৃথিবীর আদিম প্রতিষ্ঠান পরিবারেরই বৃহত্তম রুপ রাষ্ট্র।১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি স্থলাভাগ আয়াতনের এই বৃহত্তম বদ্বীপে রয়েছে বিভিন্ন রঙের মানুষ,বিভিন্ন ঢঙের মানুষ,বিভিন্ন ধর্মের মানূষ।আমাদের বিচিত্র এই জাতীয়তার মধ্যে কেউ বদনা দিয়ে বাঘ মেরেছে এমন স্মৃতিও পাওয়া যায়।ততকালিন ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলিম পরিবারের সন্তানদের মাদ্রাসা কিংবা মক্তবে পড়ানো হতো।কাজেই বেশির ভাগকেই এই শিক্ষা নিয়ে মসজিদের ইমামতি থেকে বড় চাকরী পাওয়া সম্ভব ছিল না।কিন্তু হিন্দুরা তাদের সন্তানদের মাদ্রাসা কিংবা মক্তবে পড়ায় নি।তাই তাদের ভালো ভালো প্রতিষ্ঠান বা ব্রিটিশ উপনিবেশের বিভিন্ন বিভাগে চাকরী হয়েছে।এই সময় মুসলিম রা শুধু মাত্র নিজেদের ধর্মের উপর আশ্রয় নিয়েই তাদের এই পিছিয়ে পড়ার দোষ দিত হিন্দুদের।আর ব্রিটিশরা দেখে এদের কে দুই ভাগে ভাগ করতে পারলেই ব্রিটিশ উপনিবেশ টিকে থাকবে।সংগত কারনেই মুসলিম লীগের জন্ম হয়।এভাবেই কখনো অন্ধকার কখনো আলোর পরে ভারত>পাকিস্থান> বাংলাদেশ হয়েছে।মুক্তি যুদ্ধ্যের  সময় ক্যান্টনমেন্টে থাকা বেগম খালেদা জানেনা বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য কত কোড়ি দিতে হয়েছে।কি আজব! নিজের প্রায় ৭০ বছরের জীবনে যৌবন কে মিচ করেন নি কখনো।নিরক্ষর বাংলায় যারা গনতন্ত্রের বীজ বুনেছিল তাদের মধ্যমনি শেখ মুজিব যার সোনালী যৌবনের ১৯ টি বছর অন্ধকার কারাগারে কাটিয়েছেন,যার বলিষ্ঠ্য নেতৃত্যে বাংলাদেশ আজ স্বাধীন,তার হত্যাকারীরা বাংলার মসনদে বসে।মুজিবের চার অনুজ যারা গতন্ত্রের ফেরী করে বেড়িয়েছে তাদের জেলের মধ্যেই ব্রেনেড দিয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে মারা হল।অতপর  বিতর্কিত সেক্টর কমান্ডার মেজর জিয়া,যিনি মুক্তিযুদ্ধ্যের সময় কর্নেল এম.এ.জি ওসমানি’কে চ্যালেঞ্জ করে যেড ফোর্সের জন্ম দিয়েছিল , তিনিই বসলেন বাংলার মসনদে।শৃঙ্খলার আইকন সেনাবাহীনির এই মেজর বাংলার শত বছরের বেঈমান।মাত্র কয়েক বছরের মধ্যেই তাই কয়েক শত টুকরে তার সমাধী হয়েছিল।এই সেদিনের কথা,২১শে আগষ্ট ২০০৪ ইং।ওরা বাংলাদেশ কোন আওয়ামী লীগকেই রাখতে চাই নি।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জনসভাই গ্রেনেড মেরে ২১টি তাজা প্রান নিয়েনিল।সেদিন গনতন্ত্র কথায় ছিল?আজ তেতুল হুজুর কথায়?মির্জা ফকরুল যখন মাথায় টুপি পরে জানাজার নামাজে একটির পর একটি মিথ্যা বলে!

বেগম খালেদা আপনার এত স্মৃতি শক্তি কম !তাই বুঝি আপনার জন্ম তারিখ মনে থাকে না? তাই বুঝি আপনার ম্যাট্রিক পাশ করা হয়ে ওঠেনি?

কি আজব আপনার দল?কি আজব আপনার নীতি?আপনাদের গনতান্ত্রিক অধিকার যদি হরতাল দেওয়া হয়া তবে আমাদের কেনো সেটা প্রত্যাখ্যান করার অধিকার থাকবে নে?

আবার যুদ্ধ্যে নামতে পারি।

অস্ত্র ছেড়েছি!ট্রেনিং ছাড়িনি!

এ লেখার লিংক: http://projonmoblog.com/shohagjhe/25573.html



মন্তব্য করুন