কিছু বলি-এর ব্লগ

প্রিন্ট প্রকাশনা

আজ ফেব্রুয়ারীর ২৫ তারিখ…

লিখেছেন: কিছু বলি

বিনম্র শ্রদ্ধা…
আমি চিৎকার করিয়া কাঁদিতে চাহিয়া করিতে পারিনি চিৎকার,
বুকের ব্যাথা বুকে চাপায়ে নিজেকে দিয়েছি ধিক্কার……………………

এই যে জঙ্গী রাকিব ওরফে হাফেজ মাহমুদ পালাইলো,ধরা খাইলো তারপর পয়েন্ট ব্লাংক শুটে মারা গেলো , তাকে একটা গুলিও না চালিয়ে প্রথম গ্রেফতার করেছিলেন কর্ণেল গুলজার।ফেব্রুয়ারী ২৮,২০০৬”অপারেশন সূর্যদীঘল বাড়ি”সফলভাবে পরিচালনা করেছিল কর্ণেল গুলজার।টিয়ার শেল আর বুদ্ধির খেলায় জিতে যান তিনি,ধরা পরে শায়খ আবদুর রহমান। বাংলাদেশে জঙ্গী সেনসেশন।
জেএমবির তুখোর দুধর্ষ জঙ্গীরা একে একে ধরা পরে।সামরিক কমান্ডার সানিও।সবটুকুর সাথে ছিলেন কর্ণেল গুলজার।কখনো নিজে ফ্রন্টে গিয়ে,কখনো ব্যাকআপ হিসেবে।RAB এর তত্‍কালীন এই গোয়েন্দা প্রধান স্বাধীন বাংলাদেশের সবচেয়ে চৌকস এবং বুদ্ধিদীপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের একজন।কর্ণেল গুলজারের লাশটা যখন নর্দমাতে পরে থাকা লাশের স্তুপ থেকে উদ্ধার করা হয়,এটা কেউ সনাক্ত করতে পারেনি। ডিএনএ টেস্ট এর মাধ্যমে নিশ্চিত হতে হয় এটাই কর্ণেল গুলজার,তাবত্‍ মৌলবাদীদের মূর্তিমান আতঙ্ক।

চোখ দুটো উপরে ফেলা হয়েছিলো. . .
চেহারা বিকৃত করা হয়েছিলো বেয়নেট দিয়ে খুচিয়ে. . .
এত গুলি করা হয়েছিলো যে স্বজনরা লাশ চিনতে পারে নি. . .

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ পিতার এক যোগ্য পুত্রের মর্মান্তিক পরিণতির দিন ।

এ লেখার লিংক: http://projonmoblog.com/prince-mahmud/28303.html



মন্তব্য করুন