jannatul.ferdous-এর ব্লগ

প্রিন্ট প্রকাশনা

একটি বোনের সংগ্রাম এবং কিছু সুখবর

লিখেছেন: jannatul.ferdous

স্যালুট এই বোনটিকে ।জামায়াতের নাশকতায় অর্থযোগানে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রবাসি বাবা-মায়ের গ্রেফতার ও বিচার দাবি করেছেন মেয়ে। সোমবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান চট্টগ্রামের মেয়ে সায়মা আক্তার।তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমার বাবা হাজী মফিজুর রহমান ওমানের বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ করে বাংলাদেশে জামায়াত শিবিরের কাছে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা পাঠাতো। আমার বাবা নিজেই একজন …হুন্ডি ব্যবসায়ী। মা বাবা জামায়াতের প্রবাসী রুকন।‘ ‘আমার বাবার সংগৃহীত অর্থ দিয়ে বাংলাদেশে জামায়াত শিবির যে নাশকতা ও তান্ডব চালাতো তা আমার কাছে স্বাধীন দেশের একজন নাগরিক হিসেবে ভালো লাগত না এবং গ্রহণযোগ্য নয় বলে প্রতিবাদ করতাম। তাই বাবা মা আমাকে সহ্য করতে পারতো না। আমাকে সবসময় এড়িয়ে চলত। এক বাসায় থেকেও বন্দি জীবন কাটিয়েছি।’জন্ম থেকে বিদেশে বড় হলেও মনে প্রাণে বাংলাদেশী এবং মুক্তিযোদ্ধার চেতনায় বিশ্বাসী সায়মা বলেন,‘স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক এটাই আমার গর্ব। শ্বশুর মুক্তিযোদ্ধা, পরিবারের সবাই স্বাধীনতার পক্ষের এটাই আমার অহংকার।’স্বাধীনতা বিরোধী হিসেবে এবং স্বাধীনতা বিরোধী কর্মকান্ডে অর্থ যোগান দেয়ায় জন্মদাতা পিতা-মাতাকে ঘৃণা করেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।তার অভিযোগ, শ্বশুর মুক্তিযোদ্ধা হওয়ায় মা বাবা জঘন্যভাবে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে।তিনি বলেন,‘তাদের নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ৪ জুলাই গোপনে দেশে ফিরে আসি। ১৪ জুলাই আমার মায়ের দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় গ্রেফতার করে। পরে আদালত আমাকে জামিন দিয়ে আমার ইচ্ছায় শ্বশুর শাশুড়ির হেফাজতে দেন। কিন্তু অজানা কারণে আমার স্বামীকে জামিন না দিয়ে জেলে বন্দি করে রেখেছে।’বাবা জামায়াতের সক্রিয় প্রবাসী নেতা হওয়ায় শিবিরের সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন মাধ্যমে শশুর বাড়ির লোকজনকে গুম, অপহরণ ও মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে অভিযোগ করে শ্বশুর বাড়ির পরিবারের সকল সদস্যদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ঠ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে আহবান জানান সায়মা।পাশাপাশি ফটিকছড়ির ভূজপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জামায়াত শিবিরের নাশকতা তান্ডবে অর্থযোগানদাতা হিসেবে তার বাবাকে গ্রেফতার করে তদন্ত করার জন্য সরকারের কাছে আবেদন জানান।সায়মা আক্তার ওমান জার্মান ইউনিভাসির্টি অফ টেকনোলজির ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী। বাবা-মা’র সঙ্গে ছোট বেলা থেকেই ওমানের হামরিয়া এলাকায় বসবাস করতেন। গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়ি উপজেলায়। নগরের ডবলমুরিং এলাকার আগ্রাবাদের কাপুরিয়া পাড়ায় নিজস্ব বাসা রয়েছে।”
আর একটা খুশির খবর – ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি জসিমউদ্দিন হলে রায়হান নামে এক শিবির কর্মীকে পিটিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে ছাত্রলীগ। এমনি ভাবে দেশের প্রতিটা স্থানে জামাত – শিবিরের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে আমাদেরকে ।আজ , নয় কাল , নয় পরশু – জয় আমাদের হবেই ।
জয় বাংলা , জয় বঙ্গবন্ধু ।জয় প্রজন্ম , জয় তারুন্য , জয় শাহবাগ । জয় হোক মুক্তিযুদ্ধের , জয় হোক স্বাধীনতার ।

এ লেখার লিংক: http://projonmoblog.com/jannatul-ferdous/21577.html



মন্তব্য করুন