ইমরান এইচ সরকার-এর ব্লগ

প্রিন্ট প্রকাশনা

২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা; শুধুই কি একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়?

লিখেছেন: ইমরান এইচ সরকার

স্বাধীন বাংলার পতাকা উত্তোলন

বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে বাঙালি মুসলিম প্রজাতন্ত্র হোক কিংবা বঙ্গভুমি হোক, পূর্ব পাকিস্তান যে স্বাধীনতার দ্বারপ্রান্তেই যাচ্ছে সেটা সাতই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ৪ দফা দাবির আগেই সারা দুনিয়ার পাওয়ার হাউজগুলোতে কমবেশি বেডরুম পর্যন্ত আলোচনায় গড়িয়েছিল!

এমনকি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষদিকে পত্রিকায় যে রিপোর্টগুলো এসেছিল তা অনুসন্ধান করলেও সেটা স্পষ্ট হয়ে যায়।

২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১, ‘লন্ডন টাইমস’ লিখেছে

শেখ মুজিবুর রহমান জনগনের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত বিবৃতিতে ‘পুর্ব পাকিস্তান’-এর পরিবর্তে বাঙালি জাতির কথা উল্লেখ করেন।

২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ ‘লিভারপুল ডেইলী পোষ্ট’ লিখেছে

হোয়াইট হলে এখন আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, পাকিস্তান দ্বিখন্ডিত হয়ে যেতে পারে অর্থাৎ পুর্ব পাকিস্তান নিজেকে স্বাধীন বাঙালি মুসলিম প্রজাতন্ত্র বলে ঘোষণা করবে। আওয়ামীলীগ নেতা শেখ মুজিব জাতীয় পরিষদের ৩০০ টি আসনের মধ্যে ১৬৭ টি আসন লাভ করে এখন আর পুর্ব পাকিস্তানের কথা বলছেন না, বলছেন বাঙালি প্রজাতন্ত্রের কথা।

হোয়াইট হলে এটা অনুধাবন করা হচ্ছে যে, ব্রিটিশ সরকার একটি কমনওয়েলথভুক্ত দেশবিভক্তির মারাত্মক সম্ভাবনার মুখোমুখি হচ্ছেন।

সাতই মার্চের জনসভাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ দোসরা মার্চ একটি সংবাদ সম্মেলন ডাকে। সেই সংবাদ সম্মেলনের সংবাদ লিখতে গিয়ে ‘ওয়াশিংটন পোষ্ট’ তাদের ৩ মার্চের সংখ্যায় লেখে-

আওয়ামী লীগের প্রেসিডেন্ট শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় তাড়াহুড়ো করে এক সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে বলেন- আওয়ামী লীগ ৭ই মার্চ একটি জনসভা করে বাংলার জনগনের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার অর্জনের কর্মসূচী প্রদান করবেন। তিনি স্বাধীনতা দাবি করবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন ‘অপেক্ষা করুন’।

অবশেষে সাতই মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিলেন এবং ৪ দফা দাবি পেশ করলেন, যা তাঁর বিচ্ছিন্নতার স্পষ্ট অভিপ্রায়কে আরও স্পষ্টতর করলো। দাবিগুলো ছিল নিম্নরুপঃ

  • অবিলম্বে সামরিক শাসন প্রত্যাহার করা;

  • অবিলম্বে সব সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া;

  • প্রাণহানি সম্পর্কে তদন্ত এবং

  • জনগনের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে অবিলম্বে ক্ষমতা হস্তান্তর (জাতীয় পরিষদের অধিবেশনের পূর্বেই)

এখানে উল্লেখ্য যে, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিব কিন্তু এমন কোন আশ্বাস দেন নি যে দাবিগুলো মেনে নিলেই তিনি পঁচিশে মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেবেন। বরং বলেছিলেন-

এই শর্তগুলো গ্রহন করা হলে তখন আমরা বিবেচনা করে দেখবো, অধিবেশনে যোগ দেবো কিনা।

লন্ডনের ‘ডেইলী টেলিগ্রাফ’ ১৯৭১ সালের ৯ই মার্চ সংখ্যায় লিখলো-

শেখ মুজিবুর রহমান পুর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা এক রকম ঘোষণাই করেছেন, ২৫শে মার্চে জাতীয় পরিষদ অধিবেশনে যোগদানের পুর্বশর্ত হিসেবে প্রদত্ত ৪ দফা দাবির মধ্যেই এ কথা লুক্কায়িত রয়েছে, কাজেই প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পারেন না এসব দাবি পূরণ করতে। আওয়ামী লীগ নেতা শেখ মুজিব তার আন্দোলনকে ‘স্বাধীনতার আন্দোলন’ বলে অভিহিত করে জাতীয় পরিষদে সহযোগীতার জন্য বিভিন্ন শর্ত আরোপ করেন, যা প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান মেনে নিতে পারেন না।

একই দিন ‘ডেইলী টেলিগ্রাফ’ এক সম্পাদকীয় নিবন্ধে বলে-

আমরা ইতোমধ্যেই পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে পুর্ব পাকিস্তানের সম্ভাব্য নামকরন শুনছি, যা বাংলাদেশ কিংবা বঙ্গভূমি হতে পারে। এর পতাকাও বানানো হয়ে গেছে।

বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ৪ দফা দাবি নিয়ে লিখতে গিয়ে ‘লন্ডন ইকনোমিস্ট’ ১৩ই মার্চ ১৯৭১ সংখ্যায় লিখেছে-

প্রেসিডেন্ট কর্তৃক পঁচিশে মার্চ তারিখে গণপরিষদের অধিবেশন আহবানের জবাবে তিনি (শেখ মুজিব) চারটি শর্ত আরোপ করেন, যা তাঁর এবং আওয়ামী লীগের অধিবেশনে যোগদানের পুর্বেই পূরণ করতে হবে। এর মধ্যে দুটি শর্ত যেমন, ‘অবিলম্বে সামরিক আইন প্রত্যাহার’ এবং ‘নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর’ কার্যত প্রেসিডেন্ট কর্তৃক মেনে নেয়া অসম্ভব।

১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান আওয়ামী লীগের সঙ্গে শাসনতান্ত্রিক ব্যাপারে আরো আলাপ-আলোচনার জন্য ঢাকা আসলেন। নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত ‘টাইম সাময়িকী’ সেদিন লিখলো-

আসন্ন বিভক্তির (পাকিস্তানকে দুটি পৃথক রাষ্ট্রে পরিণতকরন) পশ্চাতে যে মানবটি রয়েছেন তিনি হচ্ছেন শেখ মুজিবুর রহমান(মুজিব)। গত সপ্তাহে শেখ মুজিব ‘টাইম’-এর সংবাদদাতা ডন কগিনকে বলেন- বর্তমান পাকিস্তানের মৃত্যু হয়েছে, সমঝোতার আর কোন আশা নেই। তিনি পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য পৃথক পৃথক শাসনতন্ত্র প্রণয়নের কথা বলেন এবং জানান যে তাঁর অনুগামীরা কেন্দ্রীয় সরকারের কর দিতে অস্বীকার করেছে, যা কিনা পশ্চিম পাকিস্তানে অবস্থিত। মনে হচ্ছে তিনি তাঁর ভাষায়, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনার দ্বারপ্রান্তে’ উপনীত হয়েছেন।…এর দুদিন আগেই পুর্ব পাকিস্তানের এই নেতা পশ্চিম পাকিস্তানিদের সম্পর্কে বলেন- ‘আমি তাদেরকে পঙ্গু করে দেব এবং তাদেরকে নতি স্বীকার করতে বাধ্য করবো।’ এ ধরনের একটি বিবৃতি দেবার পর সোজাসুজি স্বাধীনতার ঘোষণা আর অতিনাটকীয় কিছু নয়।

১৬ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধু প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ৪ দফা দাবি পেশ করলেন এবং এরপর দলীয় হাইকমান্ডের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হলেন। সেই দিনই এক বিবৃতিতে ‘পুর্ব পাকিস্তানের প্রতিটি গৃহকে এক একটি দূর্গে পরিণত করার’ পুনরায় আহবান জানালেন।

লন্ডনের গার্ডিয়ান পত্রিকার ১৬ই মার্চ ১৯৭১ সংখ্যায় সংবাদদাতা মার্টিন এডেনি আওয়ামী লীগের একটি সংগ্রাম কমিটির বৈঠকের বর্ননা প্রকাশ করে এইভাবে-

সারা প্রদেশে গঠিত এ ধরনের অন্যান্য কমিটির মতো এই কমিটিরও আলোচনার বিষয় ছিল- তাদের বিবেচনায় স্বাধীন হয়ে যাওয়া পূর্ববঙ্গে অর্থাৎ বাংলাদেশে তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে। ৫৮টি গ্রাম থেকে প্রায় তিনশ লোক এই সংগ্রাম কমিটিতে একত্রিত হয়েছেন। তারা প্রয়োজনবোধে সেনাবাহিনীর মোকাবেলা করতে প্রস্তুত এবং এ জন্য তারা এমন একজন গ্রামবাসীর কাছে যুদ্ধবিদ্যা ট্রেইনিং নিচ্ছেন যার একমাত্র অধিকার এই যে, তিনি রাজকীয় ভারতীয় সেনাবাহিনী সার্ভিস কোরে একজন ল্যান্স কর্পোরাল ছিলেন।

একই দিন হিন্দুস্তানের দৈনিক পত্রিকা ‘স্টেটসম্যান’ আওয়ামী লীগের ১৪ই মার্চ তারিখে জারি করা নির্দেশসমূহের খবর দিয়ে লিখেছে-

মিস্টার মুজিবুর রহমান, এসব নির্দেশ জারি করে বলেছেন যে তিনি ‘বাংলাদেশ’ এর নিয়ন্ত্রণভার গ্রহন করেছেন।

পত্রিকাটি আরও লিখেছে-

শেখ মুজিবুর রহমান বলেছেন প্রেসিডেন্ট আমাদের অতিথি হবেন। ঢাকায় পর্যবেক্ষকরা এর এই অর্থ নিয়েছেন যে, পূর্ব পাকিস্তান নিজেকে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে স্বতন্ত্র একটি এলাকা বলে মনে করে।

১৭ মার্চ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত আলোচনা চলতে থাকলো। শাসনতন্ত্রের খশড়া প্রস্তাবনা নিয়ে একের পর এক মিটিং। আওয়ামী লীগ প্রদত্ত খশড়া নিয়েও আলোচনার চেষ্টা চলল। প্রেসিডেন্টের টিমের সাথে কিছুতেই আওয়ামী লীগের বনিবনা হল না।

সর্বশেষ ২৪ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় প্রেসিডেন্টের টিমের সাথে আবার বৈঠকে মিলিত হন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। বৈঠকের পর উপস্থিত সাংবাদিকদের তাজউদ্দিন আহমেদ বলেন-

বৈঠকে আমাদের যা বক্তব্য, তা আমরা সবই বলেছি। আমাদের দিক থেকে আর কোন বৈঠকের প্রয়োজন নেই। (দি পিপল, ঢাকা ২৫শে মার্চ ১৯৭১)

এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ প্রকাশ্যভাবে জানিয়ে দিলো যে, তারা আর কোন বৈঠক অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আগ্রহী নয়। তারা যে খশড়া ঘোষণা পেশ করেন, তাতে স্পষ্ট বোঝা যায়- বঙ্গবন্ধু কেন্দ্র কিংবা পাকিস্তান ফেডারেশন সংক্রান্ত কোন বন্দোবস্তের ব্যাপারে উৎসাহী নন। এর অর্থ হচ্ছে, এই ঘোষণাটি ফেডারেশনের পরিবর্তে একটি কনফেডারেশন তৈরি করে কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব বিলোপ করবে। আর বঙ্গবন্ধু ১ মার্চ থেকে যে প্রতিদ্বন্দ্বী সরকার চালাচ্ছিলেন, এই ঘোষণা তাঁকে আইনগত বৈধতা প্রদান করবে এবং আইনসিদ্ধ কোন বৈধতা ছাড়াই ঘোষণাটি জারি করে শাসনতান্ত্রিক শুন্যতা সৃষ্টি করবে।

প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া পঁচিশে মার্চ ১৯৭১ তার নিম্নোক্ত কথায় বিষয়টির সংক্ষিপ্ত সার প্রকাশ করে

এটা অত্যন্ত পরিষ্কার হয়ে গেছে যে, শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার উপদেষ্টারা এক পাকিস্তানের ভিত্তিতে কোন সমঝোতায় আসবেন না বরং কোনক্রমে আমার কাছ থেকে এমন একটা ঘোষণা প্রকাশ করিয়ে নিতে চান যা কার্যত জাতীয় পরিষদকে দুইটি পৃথক গণপরিষদে পরিণত করবে, ফেডারেশনের পরিবর্তে একটি কনফেডারেশনের জন্ম দেবে এবং সামরিক আইনের ক্ষমতা বিলোপ করে দেশে একটা অরাজকতার সৃষ্টি করবে। এই পরিকল্পনার মাধ্যমে তারা পৃথক ‘বাংলাদেশ’ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল। বলাবাহুল্য, তার অর্থই হচ্ছে জাতির পিতা যে অর্থে পাকিস্তান তৈরি করেছিলেন তার পরিসমাপ্তি টানা।

বঙ্গবন্ধু মুলত ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাস জুড়েই বিভিন্ন সময় প্রকাশ্যে কিংবা ইঙ্গিতে স্বাধীনতার ডাক দিয়ে এসেছেন। সারাদেশের আওয়ামী লীগ কর্মী এমনকি সাধারন জনগন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয়কেই পুর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন। তাই তারা কীভাবে এই স্বাধীনতাকে টিকিয়ে রাখবেন এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাভ করবেন তার জন্যই সংগ্রামের প্রস্তুতি নিয়েছেন।

সুতরাং সামগ্রিক বিচারে পঁচিশে মার্চ ভোর রাত অর্থাৎ ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা শুধুই একটি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

তথ্যসুত্রঃ
১। বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর সম্পাদিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং পাকিস্তান; পাকিস্তান সরকারের শ্বেতপত্র’
২। বাংলাদেশের স্বাধীনতার দলিলপত্র
৩। উইকিপিডিয়া
৪। ইন্টারনেট

এ লেখার লিংক: http://projonmoblog.com/imran/2762.html

 15 টি মন্তব্য

(ফোনেটিক বাংলায়) মন্তব্য করুন

  1. আজাদ মাষ্টার

      আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়মতান্ত্রিক এবং জনযুদ্ধ দুই প্রক্রিয়ার অপূর্ব সমন্বয় ।  নিয়মতান্ত্রিক অহিংস ক কর্মসূচি মধ্য দিয়ে জনসাধারণের মধ্যে বিপ্লবী সংগ্রামের মানসিকতা গড়ে তুলা হয়েছিলো ।
    যে জিনিসটা আশ্চর্য লাগলো ১৯৭১ সালের  ১৫ মার্চের মধ্যে সুদূর  নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত ‘টাইম সাময়িকী’  পাকিস্তানের মৃত্যুঘণ্টা শুনতে পেয়েছিলো অথচ গোলাম আযমের মতো গর্দভেরা সেইটা উপলব্ধি করতে পারে নাই  বাংলার মাটিতে থেকেও ।

     

    1. ইমরান এইচ সরকার

      সেটাই আশ্চর্যের ব্যাপার। বঙ্গবন্ধু কি মাপের দুরদর্শী নেতা ছিলেন তা শুধুমাত্র মার্চ বিশ্লেষন করলেই অনুমান করা যায়। পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

  2. অনিমেষ রহমান

    ইতিহাসের রক্তরেখা দিন! চমৎকার লিখেছেন ইমরান ভাই।

    1. ইমরান এইচ সরকার

      ধন্যবাদ অনিমেষ ভাই। চেষ্টা করছি লিখার, আপনাদের অনুপ্রেরনায়।

  3. মুক্তির গান

    ভাল লাগলো 

    1. ইমরান এইচ সরকার

      ধন্যবাদ মুক্তির গান। ভাল থাকবেন

  4. জটিল বাক্য

    চমৎকার পোস্ট। ইয়াহিয়া যেটা বুঝেছিল, অনেক মানুষ তা এখনো বুঝে নি। ৪২ বছর পরে ৭১ সালের কনটেক্সট বুঝা নতুন প্রজন্মের কাছে সত্যিই কঠিন। কারণ বিভিন্ন সময় ইতিহাস রচিত হয়েছে মনের মাধুরী মিশিয়ে। এই পোস্ট থেকেই বোঝা যায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাকে কেমন ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছিল।

    1. ইমরান এইচ সরকার

      ধন্যবাদ জটিল বাক্য। সত্যি কথা বলতে কি এই বইটা পড়ার আগে আমিই জানতাম না সারা বিশ্ববাসীর কাছে ফেব্রুয়ারী-মার্চেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে আরেকটা দেশের জন্ম হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু্র ফেব্রুয়ারী-মার্চ মাসের যে কর্মকান্ড তাতেই তাকে অন্তত ৩বার জাতীর পিতা বানানো যায়। শুধু মার্চ বিশ্লেষন করেই তার প্রতি শ্রদ্ধা আরও কয়েকগুন বেড়ে গেছে আমার, বিশ্বাস করেন। ভাল থাকবেন

  5. নিভৃত স্বপ্নচারী

    Normal
    0

    false
    false
    false

    EN-US
    X-NONE
    X-NONE

    MicrosoftInternetExplorer4

    চমৎকার পোষ্ট। ইতিহাস বিকৃতি বিভিন্ন সময়ে হয়েছে, এখনও চলছে। এই বিকৃতি রোধ
    করে সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এরকম আরও পোষ্ট দরকার।

    /* Style Definitions */
    table.MsoNormalTable
    {mso-style-name:”Table Normal”;
    mso-tstyle-rowband-size:0;
    mso-tstyle-colband-size:0;
    mso-style-noshow:yes;
    mso-style-priority:99;
    mso-style-qformat:yes;
    mso-style-parent:”";
    mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
    mso-para-margin:0in;
    mso-para-margin-bottom:.0001pt;
    mso-pagination:widow-orphan;
    font-size:11.0pt;
    font-family:”Calibri”,”sans-serif”;
    mso-ascii-font-family:Calibri;
    mso-ascii-theme-font:minor-latin;
    mso-fareast-font-family:”Times New Roman”;
    mso-fareast-theme-font:minor-fareast;
    mso-hansi-font-family:Calibri;
    mso-hansi-theme-font:minor-latin;
    mso-bidi-font-family:Vrinda;
    mso-bidi-theme-font:minor-bidi;}

  6. shafiameen

    Golam Azom and gong do not believe anything that is less than seven hundred years old….

  7. shafiameen

    Saat shoto bochor purana khobor naa hoiley Golam Azamera taha bishwash korena….

  8. অনিক

    অসাধারণ!

  9. deepa

    ডাঃ ইমরান , যে চিন্তার গভীরতা জাতীর পিতার  চরিত্রে ছিল ,তাঁর বিন্দু মাত্রও মাপা আমাদের সাধ্যে নাই ।কিন্তু তাঁকে আমরা ভীষণ ভালোবাসি  ………. ভীষণ

  10. সাজেদুর

    স্বাধীনতার ডাক আমরাও পেয়েছি; ইমরান ভাই, আপনাকে ধন্যবাদ এ অসাধারণ তথ্যবহুল লেখাটির জন্য। আমরা ঘরে ঘরে দূর্গ গড়বো কিন্তু কাকে / কি প্রতিহত করার জন্য? – রাজাকারদের? দেশে এখনও সরকার বহাল আছেন তবে আমাদের কি উচিৎ? – সরকারের কাছে আমাদের দাবিগুলো আদায়ে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়া উচিৎ; যদি তাই হয়ে থাকে, তবে আমাদের কি প্রশ্ন জাগে না সরকার কেন পদক্ষেপ নিতে বিলম্ব করছে??

  11. রাইয়ান আজম

    খুব ভাল লিখেছেন

মন্তব্য করুন