gmakas-এর ব্লগ

প্রিন্ট প্রকাশনা

আমাদের লাল সবুজ পতাকা – প্রয়োগ চাই পতাকা নীতির

লিখেছেন: gmakas

আমাদের লাল সবুজ পতাকা – প্রয়োগ চাই পতাকা নীতির  

 

কতসংগ্রামকরে,লক্ষমানুষেরতাজারক্তেরবিনিময়েআমরাএকটাস্বাধীনসার্বভৌমরাষ্ট্রপেলামএইসেইলাল-সবুজেরপতাকাআমাদেরলাখো বাঙালির চেতনায় ধরে রাখা আমাদের জাতীয় পতাকা আমাদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রতীক।এটিরভেতরেলুকিয়েআছেআমাদেরসাংস্কৃতি,স্বপ্ন,আমাদেরচেতনা,সবকিছুহাজারো ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত এই পতাকা আমাদের চোখের সামনে নিমিষেই তুলে ধরে আমাদের প্রিয় জন্মভূমিকে। যে জন্মভূমিকে আমরা প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসি। জন্মভূমির প্রতি এই ভালোবাসা মানেই আমাদের জাতীয় পতাকার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। কারণ, লাল-সবুজের এই পতাকা আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক, আমাদের বিজয়ের প্রতীক।জাতীয়পতাকাররংএরব্যাখ্যা (বাংলাদেশেরসংবিধানেরনংঅনুচ্ছেদেরনংদফায়) হচ্ছেসবুজজমিনেরউপরখচিতরক্তরঙেরবৃত্তজাতীয়পতাকাররংহবেবটলগ্রীন (Bottle Green)সবুজরংহবে Procion Brilliant Green H-2RS 50 Parts per 1000. এরমধ্যেএকটিলালবৃত্তেররংহবে Procion Brilliant Orange H-2RS 60 Parts per 1000. সবুজরংতারুণ্যেরউদ্দীপনাচিরসবুজগ্রামবাংলারসবুজপরিবেশেরপ্রতীক

 সেই প্রতীক কে আমরা হর-হমেশায় অপমান করি যেনে বুঝে। তার জন্য বাংলাদেশী এই সব কুলাঙ্গারদের একটা বড় বুলি —“ খেলায় রাজনীতি নয়”

এই এক বুলির বদৌলতে এই সব পাঁঠারা হর দম অপমান অপদস্থ করে যাচ্ছে আমাদের জাতিয় পতাকার। এটি যেমন দেখা যায় ফুটবল বিশ্ব কাপ এলে তেমনি দেখা যায় ক্রিকেট যে কোন খেলায়( বেশি চোখে পড়ে ভারত ও পাকিস্থান খেলা হলে)

>>বিদেশি জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে হলে বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুমতির দরকার হবে। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আইন অনুসারে,

 

“Except as stated in the above Rules, the flag of a Foreign State shall not be flown on any car or building in Bangladesh without the specific permission of the Government of the People’s Republic of Bangladesh.” (People’s Republic of Bangladesh Flag Rules, article 9.IV)

 

 

 

সুতরাং কারো ইচ্ছা হলেই বিদেশি পতাকা গায়ে জড়িয়ে বাংলাদেশের স্টেডিয়ামে, বাংলাদেশের রাজপথে পাকিস্তান জিন্দাবাদকিংবা জয় হিন্দশ্লোগান দিবে, এটা আইনত অপরাধ।

 

 

ফুটবল বিশ্বকাপ এলে এই সব পাঁঠারা পকেটের টাকা খরচ করে এমন বড় বড় পতাকা বাড়ির ছাদে ঝুলান যে তা আমাদের পতাকা নিতীর সম্পূর্ণ বরখেলাপ।

 পতাকা নীতিতে বলা আছে—“  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭২ সালে প্রণীত (২০০৫ সালের জুলাই মাসে সংশোধিত) জাতীয় পতাকা ওড়ানোর সাধারণ নিয়মগুলো হলো

>>জাতীয়পতাকাইচ্ছেহলেইযেখানে-সেখানেযেমনগাড়ীতে,স্টিমারে,নৌকাতে,রেলগাড়ীতেকোনদিকেইজড়িয়েরাখাযাবেনা ( হরহামেশায়আজকালঅনেকেজাতীয়পতাকাগাড়ীরসামনেসেটেদিয়েছেনবোঝাতেচেয়েছেনভালবাসা , আসলেএটাজাতীয়পতাকাকেঅপমানইকরাহলো )

>>আমাদেরজাতীয়পতাকাযদিঅন্যকোনদেশেরপতাকারসঙ্গেটানাতেহয়তবেসেখানেওনিয়মকানুনআছেযেমন.বাংলাদেশেরপতাকারঅবস্থানথাকবেউচুতে   ( ফুটবল বিশ্বকাপ এলে এর চরম অবমাননা হয়)

 

 >>বাংলাদেশসরকারেরলিখিতঅনুমতিব্যতিতজাতীয়পতাকাকোনট্রেডমাক ,বৃত্তি,পেশায়,ডিজাইনবাঅন্যযেকোনউদ্দেশ্যেব্যবহারকরাযাবেনাপতাকাটিসবসময়মুক্তভাবেসুউচ্চেরেখেযথাসম্ভববহনকরতেহবে(এখন অনেক রাজনীতিবিদ, বিভিন্ন পেশার লোক তাদের পোস্টারে ও ছবিতে পতাকার আদলে লাল সবুজ রং ব্যবহার করে ছবি সহ নানা কাজে ব্যবহার করছে)  

>>এই পতাকার মর্যাদা ধরে রাখার জন্য ১৯৭২ সালে সংবিধানের ৪(২) অনুচ্ছেদে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়েছিল। ঐ রক্ষা কবচে বলা হয়েছে, গাঢ় সবুজের মাঝে রক্ত বর্ণের লাল বৃত্ত হবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।

 

>একই অনুচ্ছেদে আরও বলা হয়েছে, পতাকার মর্য়াদা রক্ষার জন্য সরকার আইন প্রণয়ন করবে।

 

>>১৯৭২ সালে পতাকা আইন করা হয়। আইনের ৪(ক) ধারায় উল্লেখ করা হয়, যে ব্যক্তি পতাকার অবমাননা করবে বা যথাযথ সম্মান করবে না সে ব্যাক্তি এক বছর কারাদণ্ডসহ পাঁচ হাজার টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

যেভাবে পতাকার অবমাননা হচ্ছে : বিধিতে উল্লিখিত ব্যক্তিবর্গ ছাড়া আর কেউ গাড়িতে পতাকা বহন করতে পারবে না। অথচ লক্ষ করলে দেখা যাবে বাংলাদেশে মোটর বাইক, সিএনজি,পাবলিক বাস, লঞ্চ এবং অন্যান্য পরিবহনে বেআইনিভাবে পতাকা উত্তোলন করা হয়।

বিধি অনুযায়ী পতাকা কোনোভাবেই মাটিতে ছোঁয়ানো যাবে না, পাশে রাখা যাবে না। এমনভাবে রাখা যাবে না যাতে পতাকা নিচে পড়ে যায় বা ছিঁড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ইদানিং মোটর বাইকে এমনভাবে পতাকা বহন করা হচ্ছে যা পতাকাকে অসম্মানের শামিল।

 

পতাকা অবমাননার নতুন কৌশল : বিধি মোতাবেক জাতীয় পতাকা গায়ে জড়ানো যাবে না, পতাকার উপর কিছু লেখা যাবে না বা অঙ্কন করা যাবে না, এটা নিয়ে ব্যাবসা করা যাবেনা। অথচ গভীর উদ্বেগের ব্যাপার হল, ইদানিং বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজগুলো টি-শার্টে, পাজামায়, ওড়নায়, কামিজে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করছে এবং এর ওপর অঙ্কন করছে, যা বিধি মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

 

 

যে সব দিবসে পতকা উত্তোলন করা যাবে : ঈদে মিলাদুন্নবি, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস এবং সরকার কতৃক অনুমোদিত যেকোনো দিবসে পতাকা উত্তোলন করা যাবে। অপরদিকে ২১ ফেব্রুয়ারি ও শোক দিবসে পতাকা অর্ধনমিত রাখতে হবে।

 

অসম্মানের সঙ্গে পতাকা অর্ধনমিত হয় : ২১ ফেব্রুয়ারি ও শোক দিবসে পতাকা অর্ধনমিত রাখার বিধান কেউ মানছে না। বিধি অনুযায়ী প্রথমে পতাকা দণ্ডের শীর্ষে তুলতে হবে তারপর ধীরে ধীরে দণ্ডের মাঝখানে নামাতে হবে।

 

আবার পতাকা নামানোর সময় পুনরায় পতাকা দণ্ডের শীর্ষে তুলতে হবে তারপর পতাকা একদম নীচে নামিয়ে ফেলতে হবে।

 

অথচ বাংলাদেশে কেউ এ নিয়ম মানছে না। সবাই দণ্ডের অর্ধেক বরাবর পতাকা তুলে রাখে যা জাতীয় পতাকার প্রতি অসম্মান।

 

ধর্মীয়ভাবে পতাকার অবমাননা : বিধিতে আছে, কোনো ভবনে বিদেশি পতাকা উত্তোলন করতে হলে প্রথমে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করতে হবে। তারপর অন্যদেশের পতাকা উত্তোলন করা যাবে।

 

দেখা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় যেখানে মাজার, দরগা শরিফ, খানকা শরিফ রয়েছে সব জায়গায় চাঁদ-তাঁরা খচিত বিভিন্ন রকম ও রং এর  পতাকা উত্তোলন করা হয় যা আইনের লঙ্ঘন। এমনকি সেখানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা লক্ষ করা যায় না।

 

অথচ এসব দরগা-মাজারে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের অনুমতি নাই।

 

যেসব ভবনে পতাকা উত্তোলন করা যাবে : রাষ্ট্রপতি ভবন, সংসদ ভবন, মন্ত্রণালয়, সচিবালয়, দেশের সব নিম্ন আদালত, প্রশাসনিক ভবন, উচ্চ আদালত, উপজেলা কার্যালয়, পুলিশ স্টেশন, জেলখানা, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকার কর্তৃক অনুমোদিত অন্যান্য ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা যাবে।

 

সাংস্কৃতিকভাবে পতাকার অবমাননা : বিশ্বকাপ ফুটবল বা ক্রিকেট খেলার সময় লক্ষ করা যায় দেশের বড় বড় ভবন বাড়িতে বিশ্বকাপের সমর্থকরা তাদের পছন্দনীয় দেশের পতাকা ঝুলিয়ে রাখে। সেখানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় না। অথচ বাসা বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনেরই অনুমতি নাই। অনুমোদিত ভবনে পতাকা উত্তোলনের ক্ষেত্রে বিধি মোতাবেক জাতীয় পতাকা ভবনের একদম উপরে টাঙাতে হবে। অথচ দেখা যায় বিশ্বকাপ ফুটবল বা ক্রিকেট খেলার সময় বাড়ির বারান্দায়, জানালায়, সানশেডে পতাকা ঝুলিয়ে রাখা হয় যা বেআইনি।

 

 

 

অবশেষে  পতাকা নীতির প্রয়োগ কঠোর ভাবে আসছে। যা  খুবই ভাল একটা সংবাদ এবং বর্তমান সময়ে পতাকা নীতি প্রয়োগের ভাল একটি সময়।কারন ২০টি ক্রিকেট বিশ্বকাপের মাঠে দেখছি ভারত ও পাকিস্তানের পতাকা হাতে বাংলাদেশী কুলাঙ্গারদের উল্লাস।   

পতাকা নীতি থাকলেও তার প্রয়োগ শুধু আমরা অফিস আদালত ও অন্যন্য যায়গায় দেখে আসছি। এবার পতাকা নিতির আওতায় আসছে খেলার মাঠে বা গ্যালারিতে পতাকার ব্যবহার নিয়ে।  

এই নিয়মে বলা হয়েছে – গ্যালারিতে পতাকা উড়াতে হলে অবশ্যয় তাকে ঐ দেশের জাতীয় পরিচয় পত্র বা পাসপোট দেখাতে হবে।

মারহাবা খুব ভাল একটা সিদ্ধান্ত। এখন এর প্রয়োগ আমরা দেখতে চাই ক্রিকেট মাঠের গ্যালারিতে। বাংলাদেশী কুলাঙ্গারদের খেলাতে রাজনীতি নয় এর জবাব দিতে এই নীতির কঠোর প্রয়োগ চাই। যেন পাকি প্রেমি ও ভারত প্রেমী বাংলাদেশী কুলাঙ্গাররা মাঠে বা গ্যালারিতে আর বাংলাদেশ ছাড়া অন্য কোন দেশের পতাকা উড়াতে না পারে। আর সামনে আসছে ফুটবল বিশ্বকাপ। আসছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা সমর্থকদের বিশাল বিশাল পতাকা উড়ানোর উপর চাই নিষেধাজ্ঞা। আর যদি উড়াতে চায় তবে  ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকার চেয়ে বড় লাল সবুজ দেশের পতাকা তৈরি করে সেই সব পতাকার উপরে উড়াতে হবে( পতাকা নীতি-২০০৫) এবং এটি আমরা দেখতে চাই, চাই এর প্রয়োগ।

 চলুনজেনেনিইজাতীয়পতাকাটানানোরনিয়মঃ

   

সবশেষে এক নজরেগণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭২ সালে প্রণীত (২০০৫ সালের জুলাই মাসে সংশোধিত) জাতীয় পতাকা ওড়ানোর সাধারণ নিয়মগুলো হলো

 

 

 

 

. সর্বদাপতাকারপ্রতিযথাযথসম্মানমর্যাদাপ্রদর্শনকরিতেহইবে

. পতাকাদ্বারামোটরযান, রেলগাড়িঅথবানৌযানেরখোল, সম্মুখভাগঅথবাপশ্চাদ্ভাগকোনঅবস্থাতেইআচ্ছাদিতকরাযাইবেনা

. যেক্ষেত্রেঅন্যান্যদেশেরপতাকাঅথবারঙিনপতাকারসহিতবাংলাদেশেরপতাকাউত্তোলনকরাহয়, সেক্ষেত্রেবাংলাদেশেরপতাকাকেসম্মানপ্রদর্শনেরজন্যস্থানসংরক্ষিতথাকিবে

. যেক্ষেত্রেকেবলমাত্রদুইটিপতাকাঅথবারঙিনপতাকাউত্তোলনকরাহয়, সেক্ষেত্রেবাংলাদেশেরপতাকাভবনেরডানদিকেউত্তোলনকরাহইবে

. যেক্ষেত্রেপতাকারসংখ্যাদুইয়েরঅধিকহয়, সেক্ষেত্রেঅযুগ্মসংখ্যকপতাকারক্ষেত্রেবাংলাদেশেরপতাকামধ্যখানেএবংযুগ্মসংখ্যকপতাকারক্ষেত্রেবাংলাদেশেরপতাকামধ্যভাগেরডানদিকেউত্তোলনকরাহইবে

. যেক্ষেত্রেবাংলাদেশেরপতাকাঅন্যপতাকারসহিতআড়াআড়িভাবেকোনদণ্ডেদেয়ালেরবিপরীতেউত্তোলনকরাহয়, সেক্ষেত্রেবাংলাদেশেরপতাকাঅন্যপতাকারডানদিকেআড়াআড়িভাবেথাকিবে (আড়াআড়িভাবেযুক্তপতাকাদুইটিরদিকেমুখকরিয়াদণ্ডায়মানব্যক্তিরবামদিকে) এবংপতাকাদণ্ডটিঅন্যপতাকাদণ্ডেরসম্মুখভাগেস্থাপিতহইবে

. ‘বাংলাদেশেরপতাকাউপরেঅন্যকোনপতাকাবারঙিনপতাকাউত্তোলনকরাযাইবেনা

. ‘বাংলাদেশেরপতাকাশোভাযাত্রারমধ্যভাগেবহনকরাহইবেঅথবাসৈন্যদলেরঅগ্রগমনপথে (Line of March) শোভাযাত্রারডানদিকেবহনকরাহইবে

. মর্যাদারপ্রতীকসম্বলিতঢালে (escutcheons) অযুগ্মসংখ্যকপতাকারক্ষেত্রেবাংলাদেশেরপতাকামধ্যভাগেএবংসর্বোচ্চকেন্দ্রেথাকিবেএবংযুগ্মসংখ্যকপতাকারক্ষেত্রেঢালেরডানদিকেশীর্ষে (ঢালেরদিকেমুখকরিয়াদণ্ডায়মানব্যক্তিরবামদিকে) বাংলাদেশেরপতাকাস্থাপনকরাহইবে

১০. যেক্ষেত্রেঅন্যকোনদেশেরসহিতবাংলাদেশেরপতাকাএকত্রেউত্তোলনকরাহয়, সেক্ষেত্রেবাংলাদেশেরপতাকাপ্রথমেউত্তোলনকরিতেহইবেএবংনামাইবারসময়সর্বশেষেনামাইতেহইবে

১১. যেক্ষেত্রেদুইবাততোধিকদেশেরপতাকাপ্রদর্শিতহয়, সেক্ষেত্রেপ্রতিটিপতাকাপৃথকপৃথকদণ্ডেউত্তোলনকরাহইবেএবংপতাকাসমূহপ্রায়সমানআয়তনেরহইবে

 ১২. যেক্ষেত্রেবাংলাদেশেরপতাকাঅর্ধনমিতথাকে, সেক্ষেত্রেপ্রথমেসর্বোচ্চচূড়াপর্যন্তউত্তোলনকরাহইবেএবংঅতঃপরনামাইয়াঅর্ধনমিতঅবস্থায়আনাহইবেদিবসেনামাইবারসময়পুনরায়উপরিভাগপর্যন্তউত্তোলনকরাহইবে, অতঃপরনামাইতেহইবে

১৩. যেক্ষেত্রেদণ্ডেরউপরব্যতীতঅন্যভাবেকোনদেয়ালেরউপরপতাকাপ্রদর্শিতহয়, সেক্ষেত্রেউহাদেয়ালেরসমতলেপ্রদর্শিতহইবেকোনপাবলিকঅডিটোরিয়ামবাসভায়পতাকাপ্রদর্শনকরিতেহইলেউহাবক্তারপশ্চাতেউপরেরদিকেপ্রদর্শিতহইবেযেক্ষেত্রেরাস্তারমধ্যখানেপতাকাপ্রদর্শিতহয়, সেক্ষেত্রেউহাখাড়াভাবেপ্রদর্শিতহইবে

১৪. কবরস্থানেজাতীয়পতাকানিচুকরাযাইবেনাবাভূমিস্পর্শকরানযাইবেনা

১৫. ‘পতাকাকোনব্যক্তিবাজড়বস্ত্তরদিকেনিম্নমুখীকরাযাইবেনা

১৬. ‘পতাকাকখনইউহারনিচেরকোনবস্ত্তযেমন: মেঝে, পানিবাপণ্যদ্রব্যস্পর্শকরিবেনা

১৭. ‘পতাকাকখনইআনুভূমিকভাবেবাসমতলেবহনকরাযাইবেনা, সর্বদাইঊর্ধ্বেএবংমুক্তভাবেথাকিবে

১৮. ‘বাংলাদেশেরপতাকাকোনকিছুরআচ্ছাদনহিসাবেব্যবহারকরাযাইবেনা, তবেশর্তথাকেযে, কোনবিশিষ্টব্যক্তিযাঁহাকেপূর্ণসামরিকমর্যাদাবাপূর্ণআনুষ্ঠানিকতাসহসমাধিস্থকরাহয়, তাঁহারশবযানেপতাকাআচ্ছাদনেরঅনুমোদনপ্রদানকরাযাইতেপারে

১৯. ‘পতাকাএমনভাবেউত্তোলন, প্রদর্শন, ব্যবহারবাসংরক্ষণকরাযাইবেনা, যাহাতেউহাসহজেইছিঁড়িয়াযাইতেপারেবাযেকোনভাবেময়লাবানষ্টহইতেপারে

২০. কোনকিছুগ্রহণ, ধারণ, বহনবাবিলিকরিবারনিমিত্তপতাকাব্যবহারকরাযাইবেনা

২১গণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশসরকারকর্তৃকআরোপিতকোনশর্তাবলী (যদিথাকে) এবংলিখিতঅনুমোদনব্যতীত, কোনধরনেরব্যবসা-বাণিজ্য, সম্বোধন, পেশাবাঅন্যযেকোনউদ্দেশ্যেবাংলাদেশেরপতাকাকোনট্রেডমার্ক, ডিজাইন, শিরোনামঅথবাকোনপ্যাটেন্টহিসাবেব্যবহারকরাযাইবেনা

২২. যেক্ষেত্রেপতাকাঅবস্থাএমনহয়যে, উহাআরব্যবহারকরানাযায়, সেক্ষেত্রেউহামর্যাদাপূর্ণভাবে, বিশেষকরিয়াসমাধিস্থকরিয়া, নিষ্পত্তিকরিতেহইবে

২৩. ‘পতাকাদ্রুততারসহিতউত্তোলনকরিতেহইবেএবংসসম্মানেনামাইতেহইবে

২৪. ‘পতাকাউত্তোলননামাইবারসময়এবংপ্যারেডপরিক্রমণপরিদর্শনেরসময়উপস্থিতসকলেপতাকাদিকেমুখকরিয়াসোজাহইয়াদাঁড়াইবেন

২৫. যেক্ষেত্রেআনুষ্ঠানিকভাবেপতাকাউত্তোলনকরাহয়, সেক্ষেত্রেএকইসাথেজাতীয়সঙ্গীতগাইতেহইবেযখনজাতীয়সঙ্গীতবাজানোহয়এবংজাতীয়পতাকাপ্রদর্শিতহয়, তখনউপস্থিতসকলেপতাকাদিকেমুখকরিয়াদাঁড়াইবেনইউনিফর্ম-ধারীরাস্যালুট-রতথাকিবেনপতাকাপ্রদর্শননাকরাহইলে, উপস্থিতসকলেবাদ্যযন্ত্রেরদিকেমুখকরিয়াদাঁড়াইবেন, ইউনিফর্ম-ধারীরাজাতীয়সঙ্গীতেরশুরুহইতেশেষপর্যন্তস্যালুট-রতথাকিবেন

২৬. গণপ্রজাতন্ত্রীবাংলাদেশসরকারেরঅনুমতিব্যতীত, ‘জাতীয়পতাকাঅর্ধনমিতকরাযাইবেনা, তবেশর্তথাকেযে, বিদেশস্থবাংলাদেশমিশনেরপ্রধান (যেদেশেরনিকটতিনিআস্থাভাজন) ইচ্ছাকরিলেসকলদিবসেপতাকাঅর্ধনমিতরাখিতেপারিবেন, যেসকলদিবসেউক্তদেশে, সরকারীভাবেপতাকাঅর্ধনমিতরাখাহয়

 

শেষেবলতেচাই, জাতীয়পতাকারসচেতনতারজন্যকোনপ্রচারআমাদেরএতটিভিচ্যানেলথাকলেওনেইবিভিন্নঅহেতুকপ্রচারেআমরাব্যস্তকিন্তুঅতিগুরুত্বপূনবিষয়টিশুধুবিশেষজাতীয়দিবসগুলোতেভাবিঅথচএটিআমাদেরজাতীয়চেতনারসাথেমিশেআছেসবসময়থাকবেওতাইযারযারইচ্ছামতজাতীয়পতাকাবানিয়েমাপ,রংকিছুইএকটারসাথেঅন্যটামিলছেনাসরকারীসংস্থাঅথবাবেসরকারীসংস্থাকেদায়িত্বদিয়েএটিএককভাবেবানালেসমগ্রবাংলাদেশেহয়তোএকইরকমজাতীয়পতাকাউড়তেদেখাযেতএবংসেটাভালদেখাযেতব্যপারেসরকারেরকড়াদৃষ্টিথাকলেসবাইসচেতনথাকবেবলেআশাকরাযায়আরআমাদেরখেয়ালথাকতেহবেযে , বিকৃত, কুচকানো, রংচটাঅতিপুরানোযেসবপতাকাদৃষ্টিরগোচরেআসেসেগুলোউৎখাতকরেসঠিকজাতীয়পতাকাপ্রতিষ্ঠারনিমিত্তেবলিষ্ঠপদক্ষেপগ্রহণওজরুরীব্যাপারেপ্রশাসনেরপাশাপাশিসচেতনশিক্ষিতনাগরিকদেরএগিয়েআসতেহবে এবং সরকারকে অবশ্যই অন্তত নিচের যৌক্তিক কাজগুলো করতে হবে:

 

১। জাতীয় পতাকা আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে এবং এ আইন লঙ্ঘনকারীদেরকে আইন অনুযায়ী শাস্তি দিতে হবে।

 

২। বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে বাংলাদেশের মাটিতে অন্যদেশের পতাকা নিয়ে উল্লাস করাকে পতাকা আইনের পাশাপাশি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ববিরোধী কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত করে স্পষ্ট আইন প্রণয়ন ও তার বাস্তবায়ন করতে হবে।

 

৩। পতাকার এই উন্মাদনা প্রধানত দেখা যায় বাংলাদেশের ক্রিকেট স্টেডিয়ামগুলোতে। বর্তমানে আইসিসির নির্দেশ অনুযায়ী দর্শক সাথে করে অস্ত্র ও ঝুঁকিপূর্ণ দ্রব্যের পাশাপাশি ব্যাঙ্গাত্মক পোস্টার বা ব্যানার নিতে পারে না। বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য ভিনদেশের জাতীয় পতাকাকেও এই তালিকায় যোগ করতে হবে।

সূত্র- ব্লগ, সাইট, ফেসবুক।

 

এ লেখার লিংক: http://projonmoblog.com/gmakas/29055.html



মন্তব্য করুন