AZAD-এর ব্লগ

প্রিন্ট প্রকাশনা

খোলা বাতায়ন

লিখেছেন: AZAD

শোধ
অফিসে ঢোকার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ফোন পেল রাশিদ-রাকিব শিল্পরাজ্যের কর্নধার রাশিদুল হাসান ওরফে রাশা। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে ভোররাত ৪।৩০টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন আহাদ মিয়া।
ঘটনার আকস্মিকতা কিছুক্ষণের জন্য কিংকর্তব্যবিমুঢ় করে দিল রাশাকে। হাতের রিসিভার হাতেই ধরা রইল, অপর প্রান্তে তার বন্ধু ডা, রফিকুল আজগর হ্যালো,হ্যালো বলে চলেছেন। ‘আমি আসছি’ বলেই রিসিভার নামিয়ে রাক্লেন রাশা।
আহাদ মিয়া নেই। মুক্তিযোদ্ধা আহাদ মিয়া নেই। শহীদ পিতা আহাদ মিয়া নেই। চৌরাস্তার মোড়ে ৭০ উর্ধ বয়সের একমুখ দাড়ি গোঁফ ভর্তি, ছেঁড়া নোংরা কাপড় চোপর পড়ে জীবনের শেষদিনগুলি ভাঙা থালা বিছিয়ে ভিক্ষা করতো যে আহাদ মিয়া আজ সে নেই। কেন আহাদ মিয়া’র এভাবে চলে যেতে হল? কেন?কেন?কেন? নিজের ভেতরকার ঘুমন্ত শক্তিটা প্রবল বেগে ঝাঁকুনি দিল রাশিদুল হাসান কে। এতবছর পর, এত খোঁজাখুঁজির পর শেষমেশ পেয়েও কেন তাঁর কাছে নিজের পিতার কৃত অপকর্মের জন্য ক্ষমা চাইতে পারলাম না !

 

কেন সামান্যতম সেবা পর্যন্ত করার সুযোগ না দিয়ে এভাবে চলে গেলেন তিনি! রহিমুদ্দিনের অপকর্মের দায়ভার কাঁধে নিয়ে যখন তার ছেলে হিসেবে কিছুটা প্রায়শ্চিত্তের সুযোগ পেয়েই গেলাম তখন কোন অভিমানে তিনি মুখ ফিরিয়ে চলে গেলেন! একজন তাঁর জীবনের সব দিয়েছেন এই দেশমাতৃকা স্বাধীন করার জন্য- তারপর যেকয়টা দিন বেঁচে ছিলেন কিছুইতো পেলেন না বরং অযত্ন- অবহেলা, ঘৃণা –কৃপা , আর করুণার পাত্র হয়েই যেন ছিলেন। আর যার জন্য আহাদ মিয়া’র এই পরিণতি সেই রহিমুদ্দিন, রাজাকার রহিমুদ্দিন জীবনভর শুধু পেয়েই গেছে। অর্থ,যশ,সম্পত্তি,প্রতিপত্তি, সব- সবকিছু। কেন এমন হলো ? ঘটনা পরম্পরা রাজাকার রহিমুদ্দিনের ছেলে রাশিদুল হাসান কে পেছনে টেনে নিয়ে যায়—

 
১৯৭১, চারিদিকে যুদ্ধের দামামা। শহর ছেড়ে হাজার হাজার নারী পুরুষ পরিবার পরিজন নিয়ে দূর অজানায় পাড়ি জমিয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য। গাবতলা গ্রামেও তেমনি কিছু পরিবার তাদের পরিজন সহ আশ্রয় নিয়েছে। আহাদ মিয়া, তাঁর দুই ছেলে এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সংগঠিত কিছু গ্রামবাসীকে নিয়ে আশ্রিতদের থাকা, খাওয়া ও নিরাপত্তার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে চলেছেন। রাশা’র বাবা রহিমুদ্দিন তখন ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার। আহাদ মিয়া’র এইসব কাজ রহিমুদ্দিন ভালভাবে নেয়না। প্রায়ই রাতে রহিমুদ্দিন নিজ বাড়িতে শলা পরামর্শ করে গ্রামের কিছু দুষ্ট লোকদের নিয়ে। রাশা তাদের কথা বার্তা, শলা পরামর্শের ধরণ দেখে বুঝতে পারে তার বাবার মতলব সুবিধের নয়। পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলে তার বাবা, গ্রামে আশ্রিত এবং আশ্রয় দাতাদের উপর রহিমুদ্দিন যে বেজায় ক্ষ্যাপা তা ভালভাবেই বুঝতে পারে রাশা। রাশা ভেবে পায়না কেন তার বাবা এগুলো করছে। গ্রামের আহাদ চাচা, তাঁর ছেলেরা, অন্যান্যরা এতগুলো আশ্রিত মানুষের দেখা শোনা করছে এটাতো খুব ভাল কাজ, তবে কেন তার বাবা রহিমুদ্দিন তা মেনে নিতে পারছে না? কেন চুপি চুপি তাঁদের বিরুদ্ধে মতলব আঁটছে ? ওই বয়সেই বাবার বিরুদ্ধে রাশা’র ছোট মনে বিদ্রোহের ঢেউ জাগে।

 
গ্রামে শান্তি কমিটি গঠন করে রহিমুদ্দিন। সবাইকে ডাকে সেই কমিটিতে। আহাদ মিয়া ঘৃণা ভরে প্রত্যাখ্যান করে সে আহ্বান। উপরন্তু রহিমুদ্দিন কে বোঝায় আহাদ মিয়া- ‘তুমি এলাকার মেম্বর, তোমার এখন অনেক দায়িত্ব , দেশের এই দুঃসময়ে তোমার আমাগো লগে থাওন খুব দরকার। ওই কুত্তাদের কমিটি ছাইড়া তুমি এইসব আশ্রিত মানুষদের সেবা কর। দেশের পক্ষে কাজ করো। ‘

 
রহিমুদ্দিন মহা ক্ষেপে যায়।‘ কুত্তাদের কমিটি কও তুমি ? তোমাগোর নেতারে তো ধরেছে, এখন বেশী ফালা-ফালি করলে তুমিও মরবা, তোমার লগে যারা চামচামি করতাছে হেরাও মরবে। বেশী মাতামাতি কইরোনা আহাদ মিয়া, তোমার পোলা মাইয়ার ভালোর জন্যি কইতাছি- এই পথ থেইকা সইরা দাড়াও ।‘
রাগে ঘৃণায় রি রি করে আহাদ মিয়ার শরীর। দুই ছেলে আকবর ও আকতার সহ আরও কিছু যুবকদের সংগঠিত করে মুক্তিবাহিনী ট্রেনিং ক্যাম্পে পাঠায় আহাদ মিয়া। দুই মেয়ে আকলিমা , আসমানি ও তাঁর স্ত্রী বাড়িতে ভাত,ডাল, তরকারি রান্না করে দেয়, আহাদ মিয়া আশ্রিতদের পরম যত্নে খাওয়ায়।

 
রহিমুদ্দিন কোনভাবেই আহাদ মিয়াকে আর তাঁর মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কাজকে সহ্য করতে পারেনা। তলে তলে শহরে যোগাযোগ করে, মিলিটারিদের সাথে খবর আদান প্রদান করে। রাশা’র মা স্বামীর দু’পা জড়িয়ে ধরে এসব কাজ থেকে বিরত থাকতে অনেক অনুনয় বিনয় করে, প্রবল প্রতাপে কোন অনুনয় বিনয়ই গ্রাহ্য হয়না রহিমুদ্দিনের কাছে।
হটাত একদিন তিন গাড়ি মিলিটারি আসে গ্রামে। ভয়ে লোকজন প্রাণ বাঁচাতে যে যেদিকে পারলো ছুটে পালাল। রহিমুদ্দিনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় পুরোগ্রামে তান্ডব চলে। আহাদ মিয়াদের প্রতিরোধ মুহুর্তেই তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ে। আহাদ মিয়াকে ধরে ফেলে, গ্রামের বাড়ি ঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেয়। গ্রামের যুবতি মেয়েদের ধরে নিয়ে যায় ক্যাম্পে। আহাদ মিয়া’র দু মেয়েকেও ধরে, ওদের মা বাঁধা দিতে এলে মেয়েদের সামনেই গুলি করে হত্যা করে তাঁকে ।

 
মুহুর্তেই সারা গ্রামে নেমে আসে কবরের নীরবতা। রহিমুদ্দিনের পিঠ চাপড়ে দেয় নরখাদকের বাচ্চারা- এতগুলো খাসা খাবার একসাথে পেয়ে গেছে বলে। রাশা’র মনে হয়েছিলো তার হাতে যদি তখন কোন অস্ত্র থাকতো তাহলে তার বাবা রহিমুদ্দিন সহ কুত্তার বাচ্চাদের গুলি করে মেরে ফেলতো সে।

 
তার পরের ইতিহাস আরও করুণ । বাবার সামনে বিবস্ত্র করে শুরু করে মেয়েদের উপর অত্যাচার। আহাদ মিয়া নিজের হাতে নিজের বুক চাপড়াতে থাকে। নিজ জীবনের বিনিময়ে মেয়েদের মুক্তি চায়। কিন্তু রাইফেলের বাটের আঘাত আর বুটের লাথি ছাড়া কিছুই জোটেনা। নরপশুর দল সব মেয়েদের উলঙ্গ অবস্থায় ঘরের ভেতর আটকে রাখে, কেউ সাহস করে প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁর উপর নেমে আসে নির্মম অত্যাচার। দু’পা উপরে তুলে ঝুলিয়ে রাখে। ক্ষোভে , দুঃখে , অপমানে দু’বোন আকলিমা ও আসমানি ক্যাম্পেই আত্মহত্যা করে নিজেদের বুকে বেয়োনেট ঢুকিয়ে । আহাদ মিয়া মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। আবোল তাবোল বকতে শুরু করে। শয়তানের দল লাথি গুতা মেরে ছেড়ে দেয় তাঁকে ।

 
রহিমুদ্দিনের খুশির সীমা নেই। পুরো রাজত্ব তার হাতে। আহাদ মিয়া সহ অন্যদের যাবতীয় সম্পত্তি নিজ দখলে নিয়ে নেয়। ‘ এ অধর্ম আল্লাহ সইবে না’- রাশা’র মা প্রতিবাদ জানাতেই রহিমুদ্দিন তাকে মারধর করতে শুরু করে। আবার বিয়ে করবে বলে হুমকি দেয়। রাশা মনে মনে আল্লাহ কে ডাকে, আল্লাহ যদি আকবর ভাই বা আকতার ভাই কে পাঠিয়ে দিতেন বা তাকে বড় করে দিতেন তাহলে এই অপকর্মের বদলা নেয়া যেত।

 
দেশ স্বাধীন হল। একে একে সবাই ফিরে এলেও আকবর আর আকতার ফিরলোনা। ওদের সাথে যুদ্ধ করতে যাওয়া শফিক, করিম ফিরে আসে। তাদের কাছ থেকে জানা যায় একটি বড় ব্রিজ উড়িয়ে দিতে যেয়ে সন্মুখ যুদ্ধে আকবর শহীদ হয়, গুরুতর আহত আকতার কে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে নিয়ে আসতে পারলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি।
রহিমুদ্দিন কিছুদিনের মধ্যে গা ঢাকা দেয়, তখন রাশার মনে কী আনন্দ। মনে মনে ভাবতো শফিক ভাই, করিম ভাই যদি তার বাবাকে ধরে এনে তার অপকর্মের বিচার করতো তাহলে তার বুকের ভেতরে যে অব্যক্ত যন্ত্রণা সে বয়ে বেড়াচ্ছে তার কিছুটা লাঘব হতো। তলে তলে সমস্ত লাইন-ঘাট ঠিক করে, গ্রামের বিষয় সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়ে রহিমুদ্দিন পরিবার নিয়ে শহরে পালিয়ে যায়। রাতারাতি দেশ দরদী বনে যায়, নতুন নাম ধারণ করে মীর্জা রহিম বেগ।‘ মীর্জা এন্ড সন্স’নামে বিরাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে বসে। সমাজ সেবক হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে মহল্লার বিভিন্ন ক্লাব,সংগঠন কে মোটা অংকের চাঁদা দিতে থাকে। রাশা কে একসময় বিদেশ পাঠিয়ে দেয় পড়া লেখা করতে।

 
বড় ডিগ্রী নিয়ে রাশিদুল হাসান ওরফে রাশা দেশে ফেরে। মীর্জা রহিম বেগের তখন প্রবল প্রতাপ। শহরের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে তার ওঠবস । রাশা এখন প্রতিবাদের ভাষা অর্জন করেছে। এক মুহুর্তের জন্যও ইতিহাস ভোলেনি। তাই বাবার আদম ব্যবসায় যোগ না দিয়ে অন্যত্র চাকরিতে যোগদান করেছে, বাবার কোন ওজর আপত্তি শোনেনি। আভিজাত্যের অহংকারে তার বাবা তাকে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বললে বিনা বাক্য ব্যয়ে তাই করেছে।মা কে সাথে নিতে চেয়েছিলো কিন্তু আনতে দেয়নি রহিম বেগ। মা আসার জন্য অনেক অনুনয় বিনয় করেছিলো, সব বিফলে গেছে। রাশা চলে আসার পর মা সেই যে বিছানা নিল সেই অবস্থাতেই চলে গেলেন তিনি।

 
আজ রাশিদ- রাকিব শিল্প রাজ্যের কর্নধার রাশিদুল হাসান ওরফে রাশা। তার একমাত্র পুত্র রাকিবুল হাসান বড় হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায়। এত বছরেও রাশা আহাদ মিয়া কে এক মুহুর্তের জন্যও ভোলেনি। যেখানে যায় হাজারো লোকের ভীড়ে তাঁকে খুঁজে বেড়ায়। আদৌ কি তিনি বেঁচে আছেন ! তবুও খুঁজতে হবে, যদি পেয়ে যাই।বন্ধু-বান্ধবদেরও বলে রেখেছেন।

 
দু’দিন আগে বিকেলে ফোন এল তার বন্ধু ডা,রফিকুল আজগরের –
-তুই কি একটু আসবি ?
- কেন কি হয়েছে?
-কয়েকজন লোক গুরুতর আহত অবস্থায় এক বৃদ্ধকে আমার এখানে নিয়ে এসেছে। লোকটি নাকি কিছুদিন ধরে চৌরাস্তার মোড়ে ভিক্ষা করতো। রাস্তা পার হতে যেয়ে হটাত রাস্তার মাজখানে পড়ে যায়। একটা গাড়ি বেশ জোড়েই ধাক্কা দিয়ে চলে গেছে।
- হুম, বুঝলাম। কিন্তু আমি এসে কি করবো ?
- তুই এক ভদ্রলোককে খুঁজছিস না, আহাদ মিয়া ? লোকটির ছেঁড়া ময়লা কাপড় চোপড়ের বান্ডিল ঘেটে একটুকরা কাগজ পাওয়া গেছে। সেখানে আহাদ মিয়া সহ আরও কয়েকজনের নাম লেখা আছে।
-কি বললি ! এক লাফ দিয়ে চেয়ার ছেড়ে দাঁড়িয়ে যায় রাশা। আমি এক্ষুনি আসছি।
লোকটির মুখের দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে রাশা। ইনিই সেই আহাদ চাচা, মুক্তিযোদ্ধা আহাদ মিয়া। এই দেশ শত্রুমুক্ত করতে যিনি তাঁর জীবনের সবকিছু হারিয়েছেন। আজ তিনি পথে পথে ভিক্ষা করে জীবন কাটান, ময়লা ছেঁড়া কাপড় পড়ে শীত গ্রীস্ম পার করে দেন।

 
-আজগর, ওকে বাঁচাতে যা কিছু করা দরকার আমি তা করবো , তুই উনার চিকিৎসার কোন ত্রুটি রাখিস না। এতদিন পর যখন সুযোগ পেয়েছি, কিছুটা ঋণ আমাকে শোধ করতেই হবে।
ডা, আজগর বুঝতে পারেনা কিসের ঋণের কথা বলছে তার বন্ধু রাশা। সবকিছু কখনোই খুলে বলেনি, তবে আহাদ মিয়া নামে কাউকে সে মনে মনে খুঁজে বেড়াচ্ছে একথা বহুবার বন্ধু মহলে আলোচনায় এসেছে। কারণ ব্যাখ্যা করেনি।
-৭২ ঘণ্টার আগে কিছুই বলা যাবেনা। এই সময়ের মধ্যে যদি জ্ঞান ফিরে আসে তবে আশা আছে, আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো, তুই নিশ্চিত থাকতে পারিস।

 
এরমধ্যে দু’বার ঘুরে এসেছে রাশা, টেলিফোনেও খোঁজ রেখেছে, না গত মধ্যরাত পর্যন্ত জ্ঞান ফেরেনি আহাদ মিয়া’র।
অপলক দৃষ্টিতে রাশা তাকিয়ে আছে মৃত মুক্তিযোদ্ধা আহাদ মিয়ার মুখের দিকে। এক সৎ,সাহসী, নীতিবান ত্যাগী পিতার প্রতিচ্ছবি ভেসে ওঠে সে মুখে। তিনি আজ সত্যিই জয়ী । পৃথিবীর সবকিছুকে তুচ্ছ করে বিজয়ীর বেশে তিনি পাড়ি দিয়েছেন … না, এখন চোখের পানি ফেলার সময় নয়। এখন রহিমুদ্দিনদের বিরুদ্ধে বদলা নেয়ার সময়। সমাজে আর যাতে বিষবাস্প ছড়াতে না পারে কোন রহিমুদ্দিন –একদম শেকড় ধরে উপড়ে ফেলার উপযুক্ত সময় এখন। সময় এসেছে রাশা’দের সংগঠিত হবার- রাশা প্রতিজ্ঞা করে।

পাদটীকা; মায়ে’র দুধের ঋণ যেমন শোধ করা যায়না তেমনি একজন মুক্তিযোদ্ধার ঋণও একজীবনে শোধ হওয়ার নয়।

এ লেখার লিংক: http://projonmoblog.com/azad/19997.html



মন্তব্য করুন