এ হুসাইন মিন্টু-এর ব্লগ

প্রিন্ট প্রকাশনা

জিয়াকেই জাতির পিতা বলা উচিত্ ! পাগলের প্রলাপ

লিখেছেন: এ হুসাইন মিন্টু

ঢাকা রিপোর্টের আজকের এই রিপোর্টটি পড়ে আমি রীতিমত অবাক হয়েছি । জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদাক প্রফেসর ড. সৈয়দ রাশিদুল হাসান শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে “বাংলাদেশের বর্তমানের রাজনৈতিক প্রেক্ষিত ও গণতন্ত্র” শীর্ষক আলোচনা সভায় মন্তব্য করেন যে জিয়াকেই জাতির জনক বলা উচিত । এই জ্ঞান পাপী আরো বলে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব নাকি কখনো বাংলাদেশের স্বাধীনতা চান নি । তিনি নাকি শুধু পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়ে ছিলেন । তিনি আরো দাবি করেন বঙ্গবন্ধু যখন দেখলেন তার স্বপ্ন পূরণের সম্ভাবনা নেই তখন তিনি 25 শে মার্চে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কাছে আত্মসমার্পণ করেন । অতঃপর 26 শে মার্চে তত্কালীন মেজর জিয়া স্বাধীনতার ঘোষনা দেন । ড. রাশিদুল হাসান আরো দাবি করেন,একাত্তরে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীন ভূখণ্ড পেয়েছি। আর এতে সব চেয়ে বেশি অবদান ছিল মেজর জিয়ার। কারণ সেদিন তিনি এই দিশেহারা বাঙালিকে নেতৃত্ব না দিলে আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র পেতাম না। তিনিই আমাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র অনুপ্রেরণা। সেদিন বঙ্গবন্ধু শুধু শত্রুদের কাছে আত্মসমর্পনই করেননি;বরং এ জাতিকে আত্মসমর্পনের পথ দেখিয়েছেন। কিন্ত্ত মেজর জিয়াই জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করেছে।

 

আমার প্রশ্ন হল জিয়াকে চব্বিশে মার্চ পর্যন্ত তার কর্মস্থল ও পরিবারের লোকজন ব্যতিত কেউ চিনত না, সেই জিয়া উড়ে এসে কিভাবে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়ে দিলো, 26 শে মার্চেই কেন, তার দুইদিন আগে কেন নয় ? জিয়া যদি এতই রাজনৈতিক সচেতন হতো বা নিজে একাই দেশ স্বাধীন করে ফেলবেন এটা জানতেন, তাহলে আগেই কেন আর্মিতে বিদ্রোহ করেন নি ? কালুরঘাট রেডিওস্টেশন থেকে বক্তব্য রিফাইন করে দ্বিতীয়বার কেন দিয়ে ছিলেন ? সেই বক্তব্যে তিনি কী বলেছেন বিএনপি-র এই পা চাটা কি তা শুনে নি ? এখন তো আমার রীতিমত ভয় হয়, কবে না এই সকল পা চাটারা বলে ফেলে বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে ছিল জিয়া !ছয় দফার আন্দোলন করেছে জিয়া !জিয়ার করণেই সত্তরের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ নিরঙ্কশ বিজয় লাভ করে ছিল !সাত-ই মার্চের ভাষণ দিয়ে ছিল জিয়া ! পা চাটা কুত্তা আমি তোকে বলছি তোর শেখ বাবার সাত-ই মার্চের ভাষণটা আরেকবার শুনে দেখ সেখানে বঙ্গবন্ধু কী বলেছিল । ঐ দিন যদি বঙ্গবন্ধু আমপামর জনতাকে যুদ্ধের জন্য ডাক না দিত মুক্তিযুদ্ধ কি শুরু হতো ? এই দেশ কি স্বাধীন হতো ? দেশ স্বাধীন না হলে তোর মত আবাল কি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হতে পারত ?

এ ক্ষেত্রে পত্রিকাগুলোর একটু সতর্ক হওয়া উচিত, রাস্তায় দাড়িয়ে যদি কোনো পাগল বলে, খালেদা এখনো বেশ সুন্দরী, আমি তাকে বিয়ে করতে চাই । এমন খবর কি পত্রিকা ছাপাবে, বা ছাপানো উচিত হবে ?

 

জিয়াকেই জাতির পিতা বলা উচিত! PDF Print E-mail
Written by desk5
alt 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ‌’সাবেক রাষ্ট্রপতি মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকেই জাতির পিতা বলা উচিত’- এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ও জাতীয়তাবাদী পেশাজীবী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. সৈয়দ রাশিদুল হাসান।

জাতীয় প্রেসক্লা‌বে শুক্রবার বিকেলে ‘বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষিত ও গণতন্ত্র’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় তিনি  মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন মেজর জিয়ার ভূমিকা তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, মেজর জিয়া আমার পাশের বাড়ির জামাই। বিয়ের আগে-পরে কখনো তাকে দেখিনি। হঠাৎ ২৬ মার্চ রেডিওতে  শুনলাম ‘আমি মেজর জিয়া বলছি’। এরপর জানলাম তিনি আমাদের পাশের বাড়ির খালেদার স্বামী। সেদিন তার ডাক শুনেই আমার মতো লাখো যুবক যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল।

তার দাবি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কখনো দেশের স্বাধীনতা চাননি। তিনি চেয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে। তাই ২৪ মার্চ পর্যন্ত শেখ মুজিব আমাদেরকে বলেছিলেন, ইয়াহিয়া-ভুট্টোর সাথে যে আলোচনা চলছে তা সন্তোষজনক। তারপর যখন আর তার স্বপ্ন পূরণের সম্ভাবনা থাকল না তখন ২৫ মার্চ পাক হানাদারদের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন। অত:পর ২৬ মার্চ গভীর রাতে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

ড. রাশিদুল হাসান আরো দাবি করেন, একাত্তরে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীন ভূখণ্ড পেয়েছি। আর এতে সব চেয়ে বেশি অবদান ছিল মেজর জিয়ার। কারণ সেদিন তিনি এই দিশেহারা বাঙালিকে নেতৃত্ব না দিলে আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র পেতাম না। তিনিই আমাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র অনুপ্রেরণা। সেদিন বঙ্গবন্ধু শুধু শত্রুদের কাছে আত্মসমর্পনই করেননি; বরং এ জাতিকে আত্মসমর্পনের পথ দেখিয়েছেন। কিন্ত্ত মেজর জিয়াই জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করেছে।

তিনি বলেন, আজ আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের কৃতিত্ব এককভাবে দাবি করছে। এত বড় মিথ্যাবাদী দৈত্যর হাত থেকে রক্ষা পেতে একমাত্র আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

জিয়াউর রহমানের  ৩২তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী জাতীয়তাবাদী পেশাজীবি পরিষদের সভাপতি লায়ন মো. গিয়াস উদ্দিন। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অ্যাড: ছানাউল্লাহ মিয়া, আ ক ম জান্নাতুল করিম, মেজর মিজানুর রহমান, মো: সারোয়ার সবুজ প্রমুখ।

ঢাকারিপোর্টটোয়েন্টিফোর.কম/এইচএমএল/এসএইচ/০১.০৬.২০১৩

 

 

এ লেখার লিংক: http://projonmoblog.com/ahussainmintu/15113.html



মন্তব্য করুন